বিশেষ খবর

সারাদেশে হাজার হাজার কিলোমিটার ভাঙা সড়ক

দেশজুড়ে হাজার হাজার কিলোমিটার সড়ক-মহাসড়ক ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। ওই সড়কগুলোর খারাপ অংশের কোথাও পুনর্নিমাণ, কোথাও সংস্কার, কোথাও পিচ ঠিক করা আবার কোথাও ডাবল বিটুমিনাস সারফেস ট্রিটমেন্ট (ডিবিএইচ) করা জরুরি হয়ে পড়েছে। সারা দেশে সওজের অধীন সড়কের পরিমাণ ২১ হাজার ৩০২ কিলোমিটার। তার মধ্যে জাতীয় মহাসড়ক ৩ হাজার ৮১২ কিলোমিটার, আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪ হাজার ২৪৬ ও জেলা সড়ক ১৩ হাজার ২৪২ কিলোমিটার। সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সিলেটে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের আওতাধীন ৫৮৫ কিলোমিটার সড়ক ও মহাসড়ক ভাঙাচোরা। খানাখন্দে ভরা এসব সড়ক ও মহাসড়কের চিত্র ফুটে উঠেছে। এসব সড়ক ও মহাসড়কগুলো মেরামতে ব্যয় হবে ৯০৮ কোটি টাকা। সরকারি মহাসড়ক উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা (এইচডিএম) বিভাগের বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এইচডিএম-এর তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগের মধ্যে হবিগঞ্জ সড়ক বিভাগে ৯৪ দশমিক সাত কিলোমিটার, মৌলভীবাজার সড়ক বিভাগে ১২৮ দশমিক ৮৬ কিলোমিটার, সুনামগঞ্জ সড়ক বিভাগে ১৩৬ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার ও সিলেট সড়ক বিভাগে ২২৫ দশমিক ৩৯ কিলোমিটার সড়ক ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে।
সওজের ১০টি জোনের জাতীয়, আঞ্চলিক ও জেলা সড়কে জরিপ চালিয়ে বিশ্লেষণ প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে এইচডিএম। এতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে কী পরিমাণ ভাঙাচোরা সড়ক আছে, সেটি নিরূপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি এসব সড়ক মেরামত ও পুনর্নির্মাণে কী পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়েছে।
এইচডিএমের হিসাবে, ২০১৯-২০ অর্থবছর সওজের মালিকানাধীন ৮ হাজার ৬৬২ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও পুনর্র্নিমাণে ব্যয় হবে ১০ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। সারাদেশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের অধীন সড়কগুলোর ৮ হাজার ৬৬২ কিলোমিটারই ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। সড়কগুলোর খারাপ অংশের কোথাও পুনর্নির্মাণ, কোথাও সংস্কার, কোথাও পিচ ঠিক করা আবার কোথাও ‘ডাবল বিটুমিনাস সারফেস ট্রিটমেন্ট’ (ডিবিএইচ) করা জরুরি বলে উঠে এসেছে মহাসড়ক উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা (এইচডিএম) বিভাগের বিশ্লেষণে।
সারাদেশে সওজের অধীন সড়কের পরিমাণ ২১ হাজার ৩০২ কিলোমিটার। এর মধ্যে জাতীয় মহাসড়ক ৩ হাজার ৮১২ কিলোমিটার, আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪ হাজার ২৪৬ ও জেলা সড়ক ১৩ হাজার ২৪২ কিলোমিটার।
এইচডিএমের হিসাবে, ২০১৯-২০ অর্থবছর সওজের মালিকানাধীন ৮ হাজার ৬৬২ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও পুনর্নির্মাণে ব্যয় হবে ১০ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা।
সওজের আওতাধীন সড়কগুলোর ভাঙাচোরা অংশের পরিমাণ, কোথায় কী ধরনের সংস্কারকাজ প্রয়োজন তা নিরূপণ করে প্রতি বছরই জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে এইচডিএম। এর আলোকে সওজের ভাঙাচোরা সড়ক ও সেগুলো সংস্কারে কী পরিমাণ অর্থের দরকার হবে, তার একটা ধারণা বের করে সংস্থাটি। যদিও প্রতি বছর সড়ক-মহাসড়ক সংস্কারের জন্য চাহিদামাফিক বরাদ্দ পাওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা।
এইচডিএমের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি সড়ক-মহাসড়ক সংস্কার, পুনর্বাসন, পুনর্নির্মাণ করতে হবে কুমিল্লা জোনে। এ জোনের অধীনে রয়েছে সওজের ছয়টি উপ-বিভাগ। ছয় উপ-বিভাগে সবমিলিয়ে ১ হাজার ১৫০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও পুনর্র্নিমাণ করতে হবে। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক বিভাগে ১০৬ দশমিক ১৩ কিলোমিটার, চাঁদপুর উপসড়ক বিভাগে ১৩৭ দশমিক ৫১ কিলোমিটার, কুমিল্লা সড়ক বিভাগে ৪৮০ দশমিক ৪২ কিলোমিটার, ফেনী সড়ক বিভাগে ১৬৯ দশমিক ৩২ কিলোমিটার, লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগে ১২০ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার ও নোয়াখালী সড়ক বিভাগে সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ করতে হবে ১৩৬ দশমিক ৭ কিলোমিটার সড়ক। এসব সড়ক সংস্কার ও পুনর্নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশের অথর্নীতির লাইফলাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৩৮ কিলোমিটার অংশ ফেনী সড়ক বিভাগের অধীনে রয়েছে। যার ২৭ কিলোমিটারই খারাপ অবস্থায় আছে। তাছাড়া ২২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা-বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের প্রায় ৭১ কিলোমিটার অংশই ভাঙাচোরা। শুধু ওই দুই মহাসড়ক নয়, সারা দেশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের অধীন সড়কগুলোর ৮ হাজার ৬৬২ কিলোমিটারই ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। অধিদপ্তরের ১০ জোনের জাতীয়, আঞ্চলিক ও জেলা সড়কে জরিপ চালিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে এইচডিএম। তাতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে কী পরিমাণ ভাঙাচোরা সড়ক আছে, তা নিরূপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ওসব সড়ক মেরামত ও পুনর্নিমাণে কী পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে তা-ও উল্লেখ করা হয়েছে। এইচডিএমের হিসাবে ২০১৯-২০ অর্থবছর সওজের মালিকানাধীন ৮ হাজার ৬৬২ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও পুনর্নিমাণে ব্যয় হবে ১০ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। সওজর আওতাধীন সড়কগুলোয় ভাঙাচোরা অংশের পরিমাণ, কোথায় কী ধরনের সংস্কারকাজ প্রয়োজন তা নিরূপণ করে এইচডিএম প্রতি বছরই জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে। যদিও প্রতি বছর সড়ক-মহাসড়ক সংস্কারের জন্য চাহিদামাফিক বরাদ্দ পাওয়া যায় না।
সূত্র জানায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে কুমিল্লা জোনে সবচেয়ে বেশি সড়ক-মহাসড়ক সংস্কার, পুনর্বাসন, পুনর্নিমাণ করতে হবে কুমিল্লা। ওই জোনের অধীনে রয়েছে সওজের ৬টি উপবিভাগ। ওই ৬ উপবিভাগে সব মিলিয়ে ১ হাজার ১৫০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও পুনর্নিমাণ করতে হবে। তার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক বিভাগে ১০৬ দশমিক ১৩ কিলোমিটার, চাঁদপুর উপসড়ক বিভাগে ১৩৭ দশমিক ৫১ কিলোমিটার, কুমিল্লা সড়ক বিভাগে ৪৮০ দশমিক ৪২ কিলোমিটার, ফেনী সড়ক বিভাগে ১৬৯ দশমিক ৩২ কিলোমিটার, লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগে ১২০ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার ও নোয়াখালী সড়ক বিভাগে সংস্কার ও পুনর্নিমাণ করতে হবে আরো ১৩৬ দশমিক ৭ কিলোমিটার সড়ক। ওসব সড়ক সংস্কার ও পুনর্নিমাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা। তাছাড়া কুমিল্লার মতো রাজশাহী সড়ক জোনের অধীনেও রয়েছে ৬টি সড়ক উপবিভাগ। তার মধ্যে নওগাঁ সড়ক বিভাগে ২০৫ দশমিক ২৫ কিলোমিটার, নাটোর সড়ক বিভাগে ১৮৮ দশমিক ৮৮ কিলোমিটার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়ক বিভাগে ৯৭ দশমিক ৯৪ কিলোমিটার, পাবনা সড়ক বিভাগে ২৩৩ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার, রাজশাহী সড়ক বিভাগে ১৭১ দশমিক ২৫ কিলোমিটার ও সিরাজগঞ্জ সড়ক বিভাগে ২২৮ দশমিক ৪২ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও পুনর্র্নিমাণের প্রয়োজন হবে আগামী অর্থবছর। তাতে ব্যয় হবে ১ হাজার ২২৮ কোটি টাকা। কুমিল্লা ও রাজশাহীর পর সওজের চট্টগ্রাম জোনে সবচেয়ে বেশি সড়ক সংস্কার ও পুনর্নিমাণের প্রয়োজন হবে। ওই জোনের বান্দরবান সড়ক বিভাগে ২১৪ কিলোমিটার, চট্টগ্রাম সড়ক বিভাগে ২৯৮ দশমিক ৯৩ কিলোমিটার, কক্সবাজার সড়ক বিভাগে ১৪৪ দশমিক ৭১ কিলোমিটার, দোহাজারী সড়ক বিভাগে ১৭৭ দশমিক ৮১ কিলোমিটার, খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগে ২১৬ দশমিক ১৭ কিলোমিটার ও রাঙামাটি সড়ক বিভাগে আরো ৭৪ দশমিক ৮৬ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও পুনর্নিমাণ করতে হবে। ওসব কাজে ব্যয় হবে ১ হাজার ৬০৮ কোটি টাকা। তাছাড়া ১০টি সড়ক উপবিভাগ নিয়ে গঠিত সওজের রংপুর জোন। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ জোনের বগুড়া সড়ক বিভাগে ২৩২ দশমিক ৮৫ কিলোমিটার, দিনাজপুর সড়ক বিভাগে ১৫৬ দশমিক ১২ কিলোমিটার, গাইবান্ধা সড়ক বিভাগে ৩৪ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার, জয়পুরহাট সড়ক বিভাগে ৩৯ দশমিক ৫৪ কিলোমিটার, কুড়িগ্রাম সড়ক বিভাগে ৮৩ দশমিক ৩৯ কিলোমিটার, লালমনিরহাট সড়ক বিভাগে ৮৫ দশমিক ৮৫ কিলোমিটার, নীলফামারী সড়ক বিভাগে ৬৯ দশমিক ২২ কিলোমিটার, পঞ্চগড় সড়ক বিভাগে ২৮ দশমিক ১৫ কিলোমিটার, রংপুর সড়ক বিভাগে ১০৪ দশমিক ৩৩ কিলোমিটার ও ঠাকুরগাঁও সড়ক বিভাগে ৭৩ দশমিক ১২ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও পুনর্নিমাণের প্রয়োজন হবে। ওসব কাজে ব্যয় হবে ৮৪৬ কোটি টাকা। আর খুলনা সড়ক জোনে ২০১৯-২০ অর্থবছরে সব মিলিয়ে ৯০২ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও পুনর্নিমাণের প্রয়োজন হবে। তার মধ্যে বাগেরহাট সড়ক বিভাগে ১১৩ দশমিক ৯৯ কিলোমিটার, চুয়াডাঙ্গা সড়ক বিভাগে ৩৭ দশমিক ৬৭ কিলোমিটার, যশোর সড়ক বিভাগে ৮৯ দশমিক ৪১ কিলোমিটার, ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগে ১৮৯ দশমিক ৮৪ কিলোমিটার, খুলনা সড়ক বিভাগে ১১৯ দশমিক ২২ কিলোমিটার, কুষ্টিয়া সড়ক বিভাগে ১০৭ দশমিক ৮৬ কিলোমিটার, মাগুরা সড়ক বিভাগে ৪৭ দশমিক ৬২ কিলোমিটার, মেহেরপুর সড়ক বিভাগে ৬৪ দশমিক ৮১ কিলোমিটার, নড়াইল সড়ক বিভাগে ২৫ দশমিক ৬৯ কিলোমিটার ও সাতক্ষীরা সড়ক বিভাগে ১০৬ দশমিক ২২ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এসব সড়ক সংস্কার ও পুনর্নিমাণে ব্যয় হবে ৬৪৩ কোটি টাকা।
সূত্র আরো জানায়, ময়মনসিংহ সড়ক জোনে ৯৯৫ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও পুনর্নিমাণ করতে হবে। তার মধ্যে জামালপুর সড়ক বিভাগে ৯৩ দশমিক ৯৫ কিলোমিটার, কিশোরগঞ্জ সড়ক বিভাগে ১৩১ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার, ময়মনসিংহ সড়ক বিভাগে ২৩০ দশমিক ১৭ কিলোমিটার, নেত্রকোনা সড়ক বিভাগে ১৬৬ দশমিক শূন্য ৯ কিলোমিটার, শেরপুর সড়ক বিভাগে ১১৯ দশমিক ৪৩ কিলোমিটার ও টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগে কাজ করতে হবে আরো ২৫৪ দশমিক ১১ কিলোমিটার সড়কে। তাতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৮০ কোটি টাকা। একইভাবে ঢাকা সড়ক জোনের গাজীপুর সড়ক বিভাগে ১৩০ দশমিক ৯৬ কিলোমিটার, ঢাকা সড়ক বিভাগে ১৬১ দশমিক ৪১ কিলোমিটার, মানিকগঞ্জ সড়ক বিভাগে ৭৭ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার, মুন্সীগঞ্জ সড়ক বিভাগে ১১৫ দশমিক ৭২ কিলোমিটার, নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগে ১২৩ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার ও নরসিংদী সড়ক বিভাগে সংস্কার ও পুনর্নিমাণ প্রয়োজন হবে ১৯২ দশমিক ৪১ কিলোমিটার সড়ক। ব্যয় হবে ১ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা। তাছাড়া সিলেট জোনে ভাঙাচোরা সড়ক আছে ৫৮৫ কিলোমিটার। তার মধ্যে হবিগঞ্জ সড়ক বিভাগে ৯৪ দশমিক ৭ কিলোমিটার, মৌলভীবাজার সড়ক বিভাগে ১২৮ দশমিক ৮৬ কিলোমিটার, সুনামগঞ্জ সড়ক বিভাগে ১৩৬ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার ও সিলেট সড়ক বিভাগে রয়েছে আরো ২২৫ দশমিক ৩৯ কিলোমিটার সড়ক। সিলেট জোনের সড়কগুলো মেরামত করতে ব্যয় করতে হবে ৯০৮ কোটি টাকা। বরিশাল জোনে ২০১৯-২০ অর্থবছর সব মিলিয়ে ৫৭৬ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও পুনর্নিমাণ করতে হবে। তার মধ্যে বরগুনা সড়ক বিভাগে ৩৪ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার, বরিশাল সড়ক বিভাগে ১৫৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার, ভোলা সড়ক বিভাগে ১১৪ দশমিক শূন্য ৪ কিলোমিটার, ঝালকাঠি সড়ক বিভাগে ৭৫ দশমিক ৩৭ কিলোমিটার, পটুয়াখালী সড়ক বিভাগে ৯৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার ও পিরোজপুর সড়ক বিভাগে পড়েছে ১০০ দশমিক ৪৮ কিলোমিটার। সড়কগুলো সংস্কার ও পুনর্নিমাণে ব্যয় হবে ৫৬০ কোটি টাকা। তবে গোপালগঞ্জ জোনে ২০১৯-২০ অর্থবছর সবচেয়ে কম সড়ক সংস্কার ও পুনর্নিমাণের প্রয়োজন হবে। জোনটিতে আগামী অর্থবছর ৪৮৮ কিলোমিটার সড়কে কাজ করতে হবে। তার মধ্যে ফরিদপুর সড়ক বিভাগে ১৩৪ দশমিক ৯ কিলোমিটার, গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগে ১৪০ দশমিক ৩৮ কিলোমিটার, মাদারীপুর সড়ক বিভাগে ৮০ দশমিক ৭২ কিলোমিটার, রাজবাড়ী সড়ক বিভাগে ৪৮ দশমিক ৩৩ কিলোমিটার ও শরীয়তপুর সড়ক বিভাগে রয়েছে ৮৪ কিলোমিটার। তাতে সংস্কার ও নির্মাণকাজে খরচ হবে ৪৭২ কোটি টাকা।
এদিকে এ প্রসঙ্গে এইচডিএমের প্রতিবেদন তৈরির সঙ্গে সম্পৃক্ত সওজ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান রাজন জানান, সড়ক সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই প্রতি বছর এইচডিএমের প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। তার মাধ্যমে দেশের কোথায় কোথায় ভাঙাচোরা সড়ক রয়েছে, তার একটা ধারণা পাওয়া যায়।
অন্যদিকে এ বিষয়ে এইচডিএম সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ রবিউল আলম জানান, আগামী এক বছর কী পরিমাণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে ও সেসব কাজ করতে কত টাকা দরকার, তা-ই বিস্তারিতভাবে এইচডিএমের অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্টে তুলে ধরা হয়।

 

মন্তব্য