শিক্ষা

প্রোগোজ স্কুলের কর্মচারীকে মারধর করলেন প্রধান শিক্ষক

পোগোজ স্কুল বিগত ২০১৬ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে একীভূক্ত হয়।একীভুক্ত হওয়ার আগে থেকেই শিক্ষক এবং কর্মচারীদের যথাযথ বেতন দেওয়া হতো না।একীভুক্ত হওয়ার পূর্বে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সংখ্যা ছিল প্রায় ছয় শত এবং একীভুক্ত হয়ার পর শিক্ষার্থী সংখ্যা ৬শত থেকে ৩৬০০ টাকা হয়ে যায়।এর সাথে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়।নতুন শিক্ষক নিয়োগে প্রতিজনের কাছ থেকে হাতানো হয় মোটা অংকের টাকা। শিক্ষক এবং কর্মচারীদের যথাযথ বেতন দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক মনির হোসেন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক  তাদের আশ্বাসের মধ্যে আবদ্ধ রাখে। বার বার তারা মিটিংয়ে বসে কিন্তু তেমন কোন পদক্ষেপ নেয় নি। তাদের এই অকার্যকর আশ্বাসে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে শিক্ষক এবং কর্মচারী।


এরপর ভুক্তভোগী শিক্ষক কর্মচারী প্রধান শিক্ষক সহ অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়ে মিটিংয়ে বসে। মিটিংয়ের এক পর্যায়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক উত্তেজিত হয়ে মিটিং হয়ে মিটিং হল ত্যাগ করে। এরপর ভূক্তভোগী শিক্ষক ও কর্মচারী সবাই এক হয়ে গন স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন।।গণস্বাক্ষর পেপার  সিনিয়র কর্মচারী ফাতেমা আক্তার স্বাক্ষর করলে বারবার তাকে হুমকি দামকি দেওয়া হয় এবং স্কুলের ভিতরের বাসা ত্যাগ করতে বলা হয়।( উল্লেখ যে ফাতেমা আক্তারের স্বামী মো: জালাল উদ্দীন উক্ত প্রতিষ্ঠানে বিগত ২৫ বছর ধরে এম.এল.এস.এস পদে শ্রম দিয়ে আসছেন এবং মো: জালাল উদ্দীনের পিতা, ফাতেমা আক্তারের শ্বশুর মো:খবির উদ্দিন দীর্ঘ ৫৪ বছর উক্ত প্রতিষ্ঠানে দারোয়ান হিসেবে শ্রম দিয়েছেন)।

বাসা ত্যাগ করার জন্য মাত্র ৫ দিন সময় দেওয়া হয় কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে  বাসা না পাওয়ার, স্কুলে বসবসরত কক্ষ ত্যাগ করতে পারেনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষক মো:মনির হোসেন, ফাতেমা আক্তার কে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে অপমান করে এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক ফাতেমা আক্তারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে এবং তাকে প্রায় আধঘন্টা যাবত অপমান করে।এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক ও তার সহোযোগী দুই শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন ও আউয়াল মোল্লা এবং সহযোগী কর্মচারী সোহেল আক্রমণ করে শারিরীক ভাবে নির্যাতন চালায়।চিৎকার শুনে ফাতেমা আক্তারের ছেলে মো: রিফাত হোসেন মা কে বাঁচাতে গেলে রিফাত কে প্রথকে গলা চেপে ধরে দেয়ালের সাথে সজোরে আগাত করা হয় এবং ৯০ বছরের বৃদ্ধা রিফাতের দাদি রিফাতকে বাঁচাতে গেলে তাকেও মেরে আহত করা হয়।

মন্তব্য