জাতীয়

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আজ


আজ ১১ জুলাই, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আজ দিবসটি বাংলাদেশেও পালিত হবে। দিবসটি পালনের লক্ষ্যে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে র‌্যালি ও আলোচনা সভা।

জনসংখ্যা ও উন্নয়নবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর পূর্তিতে এর অর্জন মূল্যায়নের লক্ষ্যে এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘জনসংখ্যা ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর : প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়ন।’

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেছেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আরও সক্রিয় ও আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।

জনসংখ্যা উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান নিয়ামক। এ জনসংখ্যাকে কাম্য জনসংখ্যায় পরিণত করতে পরিকল্পিত পরিবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, ‘পরিকল্পিত জনসংখ্যা, খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার পূরণের পাশাপাশি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের আয়তন, অবস্থান, জনসংখ্যা, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত পরিবার গঠনের বিকল্প নেই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে জোরদার করতে কেন্দ্রীয় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সবাইকে একযোগে কাজ করে সেবার মান আরও বাড়াতে হবে। এ জন্য জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে সরকারের পাশাপাশি সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সুরক্ষিত মানবাধিকার’।

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও প্রাইভেট চ্যানেলগুলো বিশেষ কর্মসূচি সম্প্রচার করবে আজ।

১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির গভর্নিং কাউন্সিল জনসংখ্যা ইস্যুতে গুরুত্ব প্রদান ও জরুরি মনোযোগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।

 

মন্তব্য