নগর-মহানগর

বিদ্যুৎ সংযোগের ফি চার শত নিচ্ছে সাত হাজার


লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নে পল্লী  বিদ্যুতের ঠিকাদার সবুজের বিরুদ্ধে পরিবহন খরচের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। কতিপয় ঠিকারের ফোরম্যান , নিয়োজিত দালাল ও ইলেকট্রিশিয়ানরা গ্রামে গ্রামে যেয়ে দ্রত লাইন নিমার্ণ করে দেওয়ার কথা বলে বিদ্যুতের খুটিঁ ও মালামালের (ক্যারিং কস্ট) পরিবহস খরচের জন্য হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। গ্রামের সহজ সরল সাধারণ মানুষ তাড়াতাড়ি বিদ্যুৎ পাওয়ার আশায় ওইসব নিয়েয়োজিত ব্যক্তিদের খপ্পরে পড়ে মোটা অংকের টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছে।
সূত্রে জানা গেছে,সদর উপজেলার প্রায় ৮০ ভাগ এলাকায় বিদ্যুৎতায়ন করা হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়ণের লক্ষ্য নিয়ে বর্তমানে ১টি প্যাকেজের মাধ্যমে মেয়ার বেড়ি  চরমনসা থেকে আঁধার মানিক নতুন মসজিদ এলাকায় প্রায় দেড় কিলোমিটার বিদ্যুৎতায়ণের জন্য প্রায় একশত খুঁটি স্থাপণের কাজ চলছে। বড় সবুজ হোসেন  নামের একজন ঠিকাদারের মাধ্যমে এ নিমার্ণ কাজ চলছে। সেই পৌর ১১ নং ওয়ার্ডের সর্দ্দার বাড়ি মৃত হোসেন ঠিকাদারের পুত্র বড় সবুজ। তিনি লাইসন্সদারী কোনো ঠিকাদার নয়। তবে সোহেল বেপারী নামে এক ঠিকাদারের লাইন্সসের মাধ্যমে খাম্বা বাণিজ্য করে যাচ্ছেন বলে সূত্রে জানা যায়।
ঠিকাদারদের সংশিষ্ট দপ্তর থেকে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে, বিদ্যুতের খাম্বা বাবদ বিদ্যুৎ আবেদন কারীদের কাছ থেকে কোন প্রকার টাকা আদায় করা যাবে না। অথচ উপজেলায় একেবারেই ভিন্ন রূপ। এখানে আবেদন কারীদের কাছ থেকে ঠিকাদাররা একটি দালাল চক্রের মাধ্যমে আদায় করছে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। মেয়ারবেড়ি, আঁধার মানিক, তেওয়ারীগঞ্জ, চরমনসা সহ প্রায় সকল ইউনিটে দুইজন করে দালালের আর্বিভাব ঘটেছে। তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের চার রাস্তার মোড় ভূঁইয়াগো সমাজের হাদিস মাঝির বাড়ির আবুল কালামের পুত্র  হাদিস মাঝি কাছ থেকে নতুন মিটার সংযোগের জন্য নেয়া হয়েছে ৭ হাজার টাকা। কাজিম ভূঁইয়া বাড়ির দেনায়েত উল্ল্যাহ আলমের কাছ থেকে ৪ হাজার ৬০০ শত  টাকা নেওয়া হয় বাকি ২৪০০ টাকা মিটার লাগানোর পর নেওয়া হবে। এভাবে একই বাড়ির কবির আহম্মদ, মোতাহের আহম্মদ, ফয়েজ আহম্মদ, মিন্টু, সেলিম, আলতাফ হোসেন বাহার, আবু তাহের, মোশারফ হোসেন রুহুল আমিনের কাছ থেকে একইভাবে ৬ হাজার টাকা করে উত্তোলন করেন  দালাল রাজু ।
তেওয়ারীগঞ্জ বাজার এলাকার দালাল মনির হোসেন জানায়, ইউপি চেয়ারম্যান ভুলু আমার কাছ থেকে জোর পূর্বক এক লাখ টাকার চেক আদায় করে নেন এবং নতুন বিদ্যুতের সংযোগে প্রত্যাশীদের প্রত্যেক গ্রাহক থেকে ৬ হাজার টাকা উত্তোলন করার নির্দেশ দেন।
চট্টগ্রাম জোনের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী স্বপন বণিক জানায়, খুঁিট আনা নেওয়া সব খরচ সরকার দিচ্ছে।তারপরেও যদি কোনো ঠিকাদার অনিয়ম করে নতুন সংযোগ পত্যাশিদের কাছ থেকে খুঁিট ক্যারিং খরচ নেওয়ার প্রমাণিত হয় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

মন্তব্য