সারা বাংলা

৯৫ বছর বয়সেও বয়স্ক ভাতা পান না গুনু মিয়া

 

৯৫ বছর বয়সেও বয়স্ক ভাতা থেকে বঞ্চিত গুনু মিয়া। তিনি লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া বেতুয়াপাড়ার মৃত নিয়ামত আলীর পুত্র। তার স্ত্রী ফাতেমা খাতুনের বয়সও প্রায় ৮২ বছর। কিন্তু স্বামী-স্ত্রী কেউ কোন প্রকার সরকারি ভাতা পান না।

তিনি বলেন, তার এলাকায় ২৫/২০ বছরের ছোটরা বয়স্ক ভাতা পায়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তারা স্বামী-স্ত্রী উভয়েই বয়স্ক ভাতা পান না। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারের নিটক বেশ কয়েকবার ধর্ণা দিলেও কোন কাজ হয়নি। ইউপি সদস্য আবুল কাশেম অনেক সময় দূর্ব্যবহার করেন। ৪ ছেলে ও ৪ কন্যা সন্তানের জনক গুনু মিয়া।

ছেলে-মেয়েরা নিজ নিজ সংসার নিয়েই ব্যস্ত। মা-বাবার খোঁজ খবর তেমন একটা রাখে না। বড়হাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এম.ডি জুনাইদ চৌধুরী জানান, তিনি আমার সাথে দেখা করেন নি। তাই ভুলে তার নাম করা অর্ন্তভুক্ত হয়নি। আগামীতে তার নাম তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করা হবে। জানা যায়, গুনু মিয়ার নিজের কোন জায়গা জমি নেই। এক সময় বর্গায় চাষবাস করতেন।

এখন বয়স হওয়ায় তা সম্ভব হয় না। গুনু মিয়া এখন কানেও তেমন একটা শোনেন না। কাজ করার শারীকির সক্ষমতাও নেই। তবুও জীবিকা নির্বাহের জন্য এই বয়সেও তাকে বাধ্য হয়ে মানুষের ক্ষেত খামারে কাজে যেতে হয়। এ ব্যাপারে লোহাগাড়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দেলোয়ার হোসেন জানান, বয়স্ক ভাতা পেতে আবেদন করলে আগামী অর্থ বছরে গুনু মিয়ার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে ইনশাআল্লাহ।

মন্তব্য