শিক্ষা

জবি বিএনসিসি’র ১৭ ক্যাডেটের পদমর্যদা লাভ

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্লাটুনের ১৭ জন ক্যাডেট 'ল্যান্স কর্পোরাল’ পদমর্যদা লাভ করেন। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মোঃ সেলিম ভূঁইয়া তাঁর অফিস কক্ষে নব পদমর্যাদাপ্রাপ্ত ল্যান্স কর্পোরালদের র‌্যাঙ্ক ব্যাচ পড়িয়ে দেন।

বিএনসিসি মূলমন্ত্র: জ্ঞান ও শৃঙ্খলা

এসময় কোম্পানি কমান্ডার ও অফিসার ইনচার্জ পি.ইউ.ও. আতিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের যাত্রা শুরু হয় ১৯৫৫ সাল থেকে। বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি ‘২ রমনা ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টার’ এর অধীনে রয়েছে। এতে ৬টি প্লাটুন রয়েছে, যার মধ্যে ৩টি ছেলেদের ও ৩টি মেয়েদের প্লাটুন রয়েছে। প্রত্যেক প্লাটুনে ৩০ জন করে ক্যাডেট আছে।

দেশে সশস্ত্র বাহিনীর সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে বিএনসিসি। তাই সেনা, নৌ ও বিমান—তিনটি ভিন্ন উইংয়ের মাধ্যমে ক্যাডেটদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে সেনা উইংয়ের অধীনে পাঁচটি রেজিমেন্ট, নৌ-উইংয়ের অধীনে তিনটি ফ্লোটিলা এবং এয়ার উইংয়ের অধীনে তিনটি এয়ার স্কোয়াড্রন কাজ করছে।

জানা গেল, যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রতিবছর বিএনসিসির ৪৮ জন ক্যাডেট বিদেশভ্রমণের সুযোগ পান। ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা বা মালদ্বীপে গিয়ে তাঁরা অন্যান্য দেশের ক্যাডেটদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সশস্ত্র বাহিনীতেও বিএনসিসির ক্যাডেটদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ক্যাডেট কলেজের ছাত্রদের মতো বিএনসিসির ক্যাডেটরাও মৌখিক পরীক্ষা পেরিয়ে সরাসরি আইএসএসবি (ইন্টার সার্ভিসেস সিলেকশন বোর্ড) পরীক্ষা দিতে পারেন। প্রতিবছর ৩০০ জন বিএনসিসি ক্যাডেট সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে ভর্তির সুযোগ পান। এ ছাড়া পড়ালেখায় ক্যাডেটদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য বিএনসিসি সদর দপ্তর থেকে জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ পাঁচ প্রাপ্তদের বৃত্তি দেওয়া হয়।

দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে সেবা প্রদানের জন্য প্রস্তুত থাকা, দুর্যোগ মোকাবিলা, সশস্ত্র বাহিনীর সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করা এবং সরকার অর্পিত অন্য যেকোনো দায়িত্ব পালন করা। বিমান, নৌ ও সেনা
বিএনসিসিসহশিক্ষা কার্যক্রম সব সময় একজন শিক্ষার্থীর ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।  কারণ, স্বেচ্ছাসেবার মানসিকতাই একজন ক্যাডেটের সবচেয়ে বড় শক্তি।

মন্তব্য