শিক্ষা

সকালের সময় 'কোভিড-১৯' আপডেট
# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ 168645 78102 2151
বিশ্ব 11,763,959 6,758,048 541,228

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অব্যবহৃত উচ্চমূল্যের জেনারেটর

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের বারান্দায় প্রায় বছরের বেশী সময় ধরে পড়ে আছে উচ্চমূল্যে ক্রয়কৃত একটি জেনারেটর। বিশ্বব্যাংকের হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (হেকেপ) প্রকল্পের টাকায় জেনারেটরটি ক্রয় করা হয়েছিলো বলে জানায় প্রশাসন।
সরেজমিনে গিয়ে ও কতৃপক্ষের কাছ থেকে জানা যায়, বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহারহীন পড়ে আছে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর বারান্দায়। কাঠামোগত ও শব্দদূষণ সমস্যাজনিত কারণে লাইব্রেরিতে জেনারেটর স্থাপন করা হচ্ছে না। এখানে প্রশাসনিক জটিলতার কথায় তুলে ধরেন কতৃপক্ষ। 
লাইব্রেরির বারান্দায় পড়ে থাকা  জেনারেটরের গায়ে ফিচার প্লেটের তথ্য অনুসারে এটি ‘পাওয়ার এসি’ কোম্পানীর, যার পিআরএস ৩০ কেভিএ। ৪০০ ভোল্টেজের এই ডিজেল জেনারেটরটি কত টাকা দিয়ে ক্রয় করা হয়েছিলো তার সঠিক তথ্যও দিতে পারেনি বর্তমান লাইব্রেরী প্রশাসকও। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক মার্কেটিং এক্সিকিউটিভের সাথে কথা বলে জানা গেছে, যুক্তরাজ্য বা অন্য কোন ওয়েস্টার্ন মডেলের জেনারেটর ক্রয় করলে দাম প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা। তবে চায়না ব্রান্ডের হলেও যার মূল্য হতে পারে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার সমান। লাইব্রেরীর সহকারি রেজিস্ট্রার গোলাম কাওসার বলেন, "একবছরের বেশি সময় ধরে পড়ে থাকা এ জেনারেটর নিয়ে প্রশাসন দ্বিধা-দ্বন্দ্বে আছে আসলে ব্যবহার করা যাবে কিনা। কয়েকদিন আগে প্রধান প্রকৌশলী, উপ-উপাচার্য, আইসিটি সেন্টারের পরিচালক খাদেমুল ইসলাম মোল্যা জেনারেটরটি কোথায় স্থাপন করা যায় সেজন্য পরিদর্শন করে গেছেন।'’
কেনো ব্যবহার করা হচ্ছে না, আর বাইরে খোলা জায়গাতে রাখার কারণ কী- এমন প্রশ্নের উত্তরে লাইব্রেরী প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র শীল বলেন, "হেকেপ প্রকল্পের আওতায় জেনারেটরটির কোনো কাগজপত্র আমাদের হাতে নেই। আমরা সেটা চালু করতে পারছি না। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচাযের্র নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে আমাকেও রাখা হয়েছে। আমরা ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনকে দায়িত্ব দিয়েছি কিভাবে জেনারেটরটি চালু করা যায়।" তিনি আরও বলেন, "যদি আমরা চালু করতে না পারি তাহলে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ এনে জেনারেটরটি চালু করতে হবে।"

মন্তব্য