রাজধানী

পেনশনের টাকা পেতে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চান সাবেক টিঅ্যান্ডটি কর্মকর্তা

পেনশনের টাকার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মো. মোক্তার হোসেন নামের বিটিসিএললের (টিঅ্যান্ডটি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সাবেক হিসাবরক্ষক। শরীয়তপুরের বাসিন্দা মোক্তার হোসেন রাজধানীর মগবাজার ওয়ারলেছস্থ বিটিসিএল কলোনীর টি-১২/বি নম্বর বাসায় বসবাস করেন। পেনশনের টাকা না পাওয়া এ মুক্তিযোদ্ধাকে কলোনী থেকেও চলে যাওয়ার জন্য বার বার নিদের্শনা দেয়া হচ্ছে।

ইতোমধ্যে সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেও বিষয়টির কোনো সমাধান হয়নি। তাই বিষয়টি সমাধানের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছেন। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যালয় বরাবর আবেদনও করেছেন।বিটিসিএলের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের কাছে একাধিকবার ধর্না দিয়েও তিনি পেনশনের বিষয়ে সুরাহা হয়নি।

মো. মোক্তার হোসেন দীর্ঘ ৩৯ বছর আগে পদোন্নতি পেয়েছিলেন। ১৩ বছর আগে অবসরে গেছেন। কিন্তু এখনো তিনি পেনশনের টাকা পাননি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মোক্তার হোসেন বলেন, আমি সাবেক বিটিটিবির একজন নিম্ন বেতনভুক্ত সরকারি কর্মচারী ছিলাম। অনেক কষ্টে পদোন্নতি হয়েছিল। তবে ১৩ বছর আগে অবসরে গেলেও এখন পর্যন্ত পেশনের টাকা পাইনি। সকালের সময়কে তিনি বলেন, আমি বড় অসহায়। বিভিন্ন রোগে শোকে ভুগছি। একাধিকবার চেষ্টা করেও নিজের পাওনা বুঝে পাইনি।  

তিনি জানান, পেনশনের টাকার জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং ওই মন্ত্রাণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতির কাছে গিয়েও কোনো লাভ হয়নি।

শুধু তাই নয়, চাকরি করাকালীন সময়ে সরকারি একটি প্লট পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই প্লটেও যেতে পারেননি তিনি। আইনি লড়াই করে বর্তমানে নিরূপায় হয়ে বাসায় বসে আছেন এই মুক্তিযোদ্ধা।

তিনি বলেন, আমি আমার সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য অনেক চেষ্টা করেছি। তদবির করতে করতে আমি এখন খুবই ক্লান্ত। এসব কারণে এখন অসুস্থ হয়ে পড়েছি।

মোক্তার হোসেন বলেন, এসব বিষয় সমাধান করতে গিয়ে আমি আর্থিক, পারিবারিক ও মানসিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এমনকি আমার চিকিৎসা ও ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। তাই এসব সমস্যা সমাধানের জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বারস্থ হতে চাই।

 

মন্তব্য