উপ-সম্পাদকীয়

মৌলবাদ জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসের কাছে হেরে না যায় শান্তির ধর্ম ইসলাম

রাজনীতির মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে আগের মতো এবারও গুজবকেই বেছে নিয়েছে কুচক্রী মহল। অভিযোগ ছিল, হিন্দু ধর্মের একজন নাকি মহানবী (সা:)কে হেয় করে একটি ম্যাসেজ অনেকের ইনবক্সে পাঠিয়েছেন। আর তাতেই জড়ো হয়ে গেল কয়েক হাজার। হিন্দু ধর্মের লোকটির আইডিটি নাকি হ্যাক হয়েছিল। তিনি পুলিশের শরণাপন্নও হয়েছেন। ওই আইডির হ্যাকারদের শনাক্ত করেছে পুলিশ। হ্যাকারদের ধরার চেষ্টাও পুলিশ করে যাচ্ছে এবং পুলিশ এই বিষয়টিও আন্দোলনকারীদের জানিয়েছে। 
আগের রাতে তারা পুলিশকে জানিয়েছেন, তারা প্রতিবাদ সমাবেশ করবেন না। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে সকালে এসে ঈদগাহ মাঠে জড়ো হলেন এবং তৌহিদী জোশে থানা আক্রমণ করল। কারণ কেউ একজন নাকি গুজব ছড়িয়েছিল যে আন্দোলনকারীদের মাথা একজনকে পুলিশ আটক করেছে। 
হ্যাকারদের ধরতে পুলিশ তৎপরও ছিল। হ্যাকাররা ধরা পরলে চক্রান্তকারীদের সব চক্রান্ত ফাঁস হয়ে যাবে এই ভয়েই কি থানায় হামলা? এই ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিকে কারা ব্যবহার করেছে?
চান্দে সাঈদী, কক্সবাজারের রামু এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে এই ফেসবুকের মাধ্যময়েই গুজব ছড়িয়ে ম্যাসাকার করা হয়েছিল। কিন্তু আপাতত যেটা জানা দরকার তা হলো ভোলায় ধর্মের নামে সহিংসতার ইন্ধন কারা জোগালো? কারা গত কয়েকদিন ধরেই আবরার ও ভারত ইস্যুতে ইস্কন ও হিন্দুদের নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়ালো? ধর্মের নামে নাশকতা বাংলাদেশে বরাবরই কাদের হলমার্ক? সব উত্তরের সূত্র এক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি ও তাদের পলিশড এপোলোজিস্টরা। এবার আসি ফেসবুক ব্যবহারের বিষয়ে। আপনি যদি সজ্ঞানে ঠাণ্ডা মাথায় এটা বিশ্বাস করেন যে বাংলাদেশে কোনো হিন্দু নিজ নামের একাউন্ট দিয়ে ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম বা মহানবী নিয়ে কটূক্তি করবে, তবে ধরে নিতে হবে ওই ফেসবুক ব্যবহারকরী উন্মাদ ছাড়া আর কি? ঠাণ্ডা মাথায় একটু চিন্তা করে দেখুন এটা কি আদৌ সম্ভব কি না?  
একটি মহল সবসময়ই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে ফেসবুক ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। মৌলবাদী শক্তির জানান দিতেই মাঝে মাঝে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষের অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে অপপ্রচার করে দেশকে মৌলবাদী শক্তির দিকে নিয়ে যাওয়ার হীন অপচেষ্টা করে আসছে। গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ভোলা ইস্যুতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ধৈর্য ধারণ ও গুজবে কান না দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেপ্তার করা হবে। পাশাপাশি যারা এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তাদেরও গ্রেপ্তার করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো ধর্মের লোকজনের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা সরকার চায় ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হিসেবে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করবে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষ লড়াই করেছে। 
বিভিন্ন সময়ে যতগুলো এরকম ঘটনা ঘটেছে তার কোনোটিরই ভিত্তি ছিল না। গুজব ছাড়া আর অন্য কিছু না। সুতরাং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও সম্প্রতির বন্ধন বিনষ্ট করার লক্ষ্যে-ই একটি স্বার্থানেষী মহল এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তাই দেখা যায় বিশ্লেষণ করলে। 
ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী (সা.) সম্পর্কে কটূক্তির অভিযোগের জেরে ভোলার বোরহানউদ্দিনের ঘটনাও গুজবের একটি অংশ এবং মৌলবাদী শক্তিদের কারসাজি। 
ডিজিটাল পদ্ধতির অপব্যবহার করে এই কাজ ঘটানো হয়েছে। এতে করে চারজন নিরীহ মানুষের তাজা প্রাণ চলে গেছে এবং পুলিশসহ দেড়শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে। কেন ঘটে বারবার এমন ঘটনা? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কি এখানে কোনো অবহেলা আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে হয়। কেন-ই বা পুলিশ টার্গেট হবে মৌলবাদী শক্তির? প্রশ্ন রয়েই যায়। সব প্রশ্নের একটিই উত্তর দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ধর্মকে পুঁজি করে এ কাজ করে যাচ্ছে। 
ডিজিটাল পদ্ধতির অপব্যবহার পৃথিবীর সব দেশেই ঘটছে, তবে বাংলাদেশের মতো ধর্মের অপব্যবহার করে এমন জঘণ্য ঘটনা তেমন ঘটে না। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন যাবত ক্ষমতায় থাকার কারণে সম্প্রতির বন্ধন অটুট রয়েছে। মনে হয় তার একটি কারণ মৌলবাদী শক্তিদের মাথায় কাজ করছে, যদি এভাবে শেখ হাসিনা সরকার দেশ পরিচালনা করে যেতে থাকে তাহলে মৌলবাদী গোষ্ঠীর আশা কখনও পূর্ণ হবে না। তাই হয়তো মাঝে মাঝে জানান দেওয়ার চেষ্টা করে। কারণ মৌলবাদ জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদকে সমূলে মূলতপাটনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার। আর তার সুফলও পাচ্ছে জনগণ। কিন্তু মাঝে মাঝে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালিয়ে থাকে। তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ ভোলার বোরহানউদ্দিনের ঘটনা। সুতরাং সকল অপচেষ্টা বন্ধ করার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। সাধারণ মানুষেরও বোঝা উচিত ওদের উসকানিতে সাড়া না দেওয়া। সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমান যাতে ওদের উসকানিমূলক কথায় পড়ে না যায়, সেই বিষয়ক কর্মশালা সমাজের প্রতিটি স্তরে আয়োজন করা উচিত। নচেৎ ওদের ফাঁদে পা দিয়ে সাধারণ মানুষ বিপদে পড়বে এবং নিরীহ মানুষ হতাহতের শিকার হচ্ছে ও হবে। মসজিদ মাদ্রাসা মন্দিরগুলোতে গোয়েন্দা নজরদাড়ি বাড়াতে হবে। ধর্মের অপব্যাখ্যা করে যাতে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষদের ধর্মীয় সংঘাত না ঘটতে পারে, সেই বিষয়গুলো মাথায় রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজ করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকাতেও জোড়ালোভাবে কাজ করা এখন সময়ের দাবি উঠেছে। ডিজিটাল পদ্ধতির অপব্যবহার রোধে যে আইন আছে সেই আইনের সঠিক ব্যবহার করতে হবে। কোনো ঘটনাকেই ছোট বলে অবহেলা না করে সঠিক তদন্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে পাড়লে হয়তো অনেকাংশেই এই সব ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করা যাবে। 
মৌলবাদী শক্তিদের সহজ টার্গেট থাকে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ। ওরা জানে কোথায় আঘাত করলে মানুষ ওদের পক্ষে অবস্থান নিবে। তাই ওরা সবসময়ই ধর্মকে ব্যবহার করে। সুতরাং এ বিষয়ে সম্যক ধারণা নিয়েই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কাজ করতে হবে। 
স্বাধীনতা বিরোধী ও মৌলবাদী শক্তি একই সূত্রে গাঁথা। সুতরাং দীর্ঘদিন যাবত তারা ক্ষমতার বাইরে থাকার কারণে অধৈর্য হয়ে পড়েছে। তারা মরণ কামড় দেওয়ার জন্য মাঝে মাঝে চেষ্টা করে যাচ্ছে, কিছু জায়গায় সাময়িক সফলতা পেলেও স্থায়িত্ব হচ্ছে না, সরকারের জোড়ালো ভূমিকার কারণে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাদের নিয়মিত কাজ তদারকি করার কারণে মৌলবাদী শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারছে না। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন লড়াই সংগ্রাম করে গেছেন অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে। অসাম্প্রদায়িক চেতনাবোধের জন্য তিনি কাজ করে গেছেন। 
রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতেও মাঝে মাঝে মৌলবাদী গোষ্ঠী ধর্মকে ব্যবহার করে। তারা মনে করে বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ মানুষ। এদেশের মানুষের মগজ ধোলাইয়ের একটি উপায় ধর্মের ব্যবহার করে কাজে লাগানো যায়। সব ধর্মের ভিতরে রক্ষণশীল মৌলবাদী শক্তির লোক থাকে। তাদের কাছে ধর্মের মর্মবাণী উপেক্ষিত থাকে। ধর্মের অপব্যবহারই মুখ্য বিষয়। জাতি রাষ্ট্রের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে তাদের হীন স্বার্থ আদায় করা। 
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায় গত শুক্রবার বিকেল থেকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা, ভোলা সরকারি কলেজের ছাত্র বিপ্লব চন্দ্র শুভর নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী (সা.) সম্পর্কে কটূক্তি করে কয়েকজনের মেসেঞ্জারে বার্তা পাঠোনো হয়। কয়েকজন এই বার্তার স্ক্রিনশট নিয়ে ফেসবুকে দেয়। একপর্যায়ে সেটি ছড়িয়ে (ভাইরাল)  পড়ে এবং বিপ্লব চন্দ্রের শাস্তির দাবি ওঠে। বিভিন্ন মসজিদ থেকে কয়েক দফা বিক্ষোভও দেখানো হয়। 
ওই দিন সন্ধ্যার পর বিপ্লব চন্দ্র তার আইডি হ্যাকড হয়েছে মর্মে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান বোরহানউদ্দিন থানায়। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করতে ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিপ্লবকে আটক করে। পরে তার কথার সূত্র ধরে শনিবার পটুয়াখালী থেকে পুলিশ আরেকজনকে আটক করে। 
যেহেতু বিষয়টা পুলিশ দেখভাল করে যাচ্ছে, তার মধ্যেই পুলিশের অনুমতি ছাড়াই সমাবেশ করে পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো হয়েছে। যাতে করে মূল অপরাধী গ্রেপ্তার হতে না পারে সেই চেষ্টার সব কিছুরই আয়োজন ছিল ওই সমাবেশ। দেশকে অস্থিতিশীল করার মধ্য দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। 
সারা দেশের আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে এই গ্রুপটি কাজ করে যাচ্ছে। আমার কাছে মনে হচ্ছে ভোলার বোরহানউদ্দিনের এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত। 
প্রকৃত ইসলাম ধর্মপ্রেমী মানুষ এবং নবীপ্রেমী মানুষ কখনও শান্তি বিনষ্ট করতে পারে না। সমাজের বিশৃঙ্খলাকে কখনও প্রশ্রয় দেয় না। সব ধর্মের একই বাণী শান্তি। তবে কেন গুটিকয়েক ধর্মের অপব্যবহারকারীদের কাছে ইসলাম ধর্মের মর্মবাণী প্রশ্নের মুখে পড়বে। এই বিষয়টিও এখন ইসলামের চিন্তাবিদদের ভাবার বিষয়। কোনো গুজবে কান না দিয়ে সত্য উদঘাটন করে অপরাধীকে  আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর বিষয়-ই মনোযোগ দেওয়া উচিত। বাংলাদেশ মুসলিম অভূষিত দেশ। সুতরাং মুসলমান হিসেবে সবার উচিত ইসলাম যে শান্তির ধর্ম তা বজায় রাখার দায়িত্ব এ দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের। কোনো কিছু ঘটলে তা সঠিক কিনা তা যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, অন্যথায় ধর্মের শান্তি, সুনাম ক্ষুণ্ন হবে, যা কখনও কাম্য হতে পারে না। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাস্তব ও সত্য যে অন্য ধর্মের মানুষ কখনও ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করার দুঃসাহস দেখাতে পারে না। আর সেখানে কিভাবে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী (সা.)কে নিয়ে কটূক্তি করবে? চিন্তা ও ভাবার বিষয় এটি শুধু শুনেছি বলে সংঘাত সংঘর্ষে জড়িয়ে যাওয়া বোকামি ছাড়া আর কিছু না। আর এই সুযোগের অপেক্ষায় থাকে ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী গোষ্ঠী। এবং প্রকৃত সত্যিকার ইসলাম ধর্মের মানুষ তাদের দ্বারা ব্যবহার হয়। তাদের কাছে হেরে যায় শান্তির ধর্ম ইসলাম আর জিতে যায় স্বার্থান্বেষী মহল। যুগে যুগে ইসলামের ইতিহাসে এমন অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে। সুতরাং প্রকৃত মুসলমান কখনও মৌলবাদ জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করতে পারে না। গুজবের সুযোগে যেন প্রকৃত ইসলামের ক্ষতি না হয়, বিষয়টা কিন্তু আলেম সমাজ ও রাষ্ট্রের রক্ষা করা উচিত। ইসলাম ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা নিয়ে যাতে কেউ ছিনিমিনি করতে না পারে, সেই বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। 
ধর্মের অপব্যবহারকারীদের শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির বিধান বাস্তবায়ন করা জরুরি। সর্বদলীয় ইসলাম ঐক্য পরিষদের দাবিসমূহও যাচাই বাছাই করে বাস্তবায়ন করেও দেখা উচিত। শুধু ভোলা নয় সারা বাংলাদেশে যেন আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। দেশের নাগরিকের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। সুতরাং ভোলার বোরহানউদ্দিনের ঘটনার সাথে সাম্প্রতিক ভারতবিরোধী মনোভাবের কিছুটা লক্ষণ দেখা যায়।
লেখক : কলামিষ্ট, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সভাপতি।

 

মন্তব্য