সাহিত্য

সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে সমাজের অবক্ষয় থেকে বেরিয়ে আসতে হবে -গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

হায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “সমাজের অবক্ষয় থেকে বেরিয়ে আসতে হলে রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীর বক্তব্য যথেষ্ট নয়। এ জন্য আমাদের ভেতরে স্পর্শ করার মতো কিছু অপারেশন চালাতে হবে। সে অপারেশন হতে পারে কাব্য, গল্প, উপন্যাস তথা সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে।”

সোমবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে সাংবাদিক মিজান মালিকের লেখা কাব্যগ্রন্থ ‘গল্প ছাড়া মলাট’-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, জিটিভি ও সারাবাংলা ডট নেটের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, বার্তা সংস্থা ইউএনবি’র বাংলা বিভাগের প্রধান রাশেদ শাহরিয়ার, যমুনা টেলিভিশনের বিজনেস এডিটর সাজ্জাদ আলম খান, ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি আবুল খায়ের, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সাবেক পরিচালক আনজীর লিটন প্রমুখ বক্তব্য প্রদান করেন। গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, “আমাদের অনেক উন্নয়ন হলেও নৈতিকতা ও মূল্যবোধের জায়গায় আমরা পেছনের দিকে হাঁটছি। এই শঙ্কার জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আত্মোপলব্ধি দরকার। এজন্য সাহিত্যের চর্চা করতে হবে। সাহিত্য চর্চার অস্ত্র নিপুণভাবে ব্যবহার করা যায়। এর শক্তি অনেক বেশী।”

প্রধান অতিথি বলেন, “মনুষ্যত্বহীন জীবনের দিকে আমরা ধাবিত হচ্ছি। সমাজ ব্যবস্থা একটা বিপন্ন জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছে। শুধু রাজনীতিক বা সাংবাদিক নয় বরং আমরা সকলে মিলে এর জন্য দায়ী। এজন্য আমাদের জীবনে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের মলাট দরকার। এই মলাট সকলে মিলে নিয়ে আসতে হবে। কবিতার মাধ্যমে যা বলা সম্ভব, তা বক্তৃতায় বলা যায় না। কবিতার দুটি লাইন দিয়ে যেভাবে আকৃষ্ট করা যায়, রাজনীতিবিদদের সারা দিনের ভাষণ দিয়ে তা করা যায় না।”

মন্ত্রী আরো বলেন, “সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ন্যূনতম কিছু হলেও অবদান রাখা প্রয়োজন। সমাজে সকলের দায়িত্ব সমালোচনার মাধ্যমে শেষ হতে পারে না। এজন্য গভীরে গিয়ে দৃষ্টিকে প্রসারিত করতে হবে। জীবনবোধকে উৎসারিত করতে হবে এবং নিজেদের মৌলিক সুকুমার বৃত্তিকে জাগ্রত করতে হবে। অনুভূতি ও চেতনাকে সুপ্ত অবস্থা থেকে সামনে নিয়ে আসতে হবে। তাহলেই সকল হতাশা কেটে যাবে।”

মন্তব্য