শিক্ষা

বুয়েট এ্যালামনাই এর ১২তম গ্র্যান্ড রিইউনিয়ন ২০২০ অনুষ্ঠিত

 

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০) সকাল ১০:০০ টায় দিন ব্যাপী বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর খেলার মাঠে বুয়েট এ্যালামনাই কর্তৃক আয়োজিত ‘বুয়েট এ্যালামনাই গ্র্যান্ড রিইউনিয়ন ২০২০’ এর ১২তম মহামিলনের অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বুয়েট এ্যালামনাই এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম।  

বুয়েট এলামনাই এর সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক ও বুয়েট এলামনাই এর সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। আরও বক্তব্য রাখেন বুয়েট এলামনাই এর মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। মূল বক্তৃতা পুনর্মিলনী ২০২০; ‘আশা-হতাশা-ভালবাসার বুয়েট’ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত।

বুয়েট এলামনাই প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৩ সালে।এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩ হাজার ২০০ জন। বিগত ১৬ বছরের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের নানা দিকে বিকাশ ঘটেছে। গত এক দশকের মধ্যে বুয়েট এলামনাই বিভিন্ন কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন কওে আসছে। কার্যক্রমের প্রথম প্রোগ্রামহলো সেমিনার এবং গোলটেবিল বৈঠক। এই প্রোগ্রামের মুল উদ্যেশ্য হল জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধানের সহায়তায় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের আলোচনা এবং সুপারিশকরা।

কার্যক্রমের দ্বিতীয় প্রোগ্রামে বুয়েট এলামনাই ছাত্রছাত্রীদের গবেষণায় উৎসাহ প্রদানে আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে ২০১০ সাল থেকে। এ প্রকল্পে ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণার ফলাফল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রকাশবা উপস্থাপনা করার কাজে অনুদান দেওয়া হয়। এই ফান্ড থেকে আজ পর্যন্ত মোট ৩৮,৮৬,০০০ টাকা ছাত্র-ছাত্রীদের অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছে। গত এক বছওে অনুদান দেয়া হয়েছে ১০,৪০,০০০টাকা।
প্রোগ্রামের আওতায় এলামনাইদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়।  গুরুতরভাবে অসুস্থ আর্থিক সঙ্গতিহীন এলামনাইদের চিকিৎসার জন্য সাহায্য করার একটি প্রকল্প চলমান আছে ২০১০ সাল থেকে।  গত ১০ বছরে এই প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক সাহায্যের পরিমাণ মোট ৩১,৫৯,০০০ টাকা।

আজকের বর্ণাঢ্য এই মাহামিলনে সহ¯্রাধিক প্রকৌশলীসহ প্রায় ৩ হাজার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পদচারনায় মূখরিত ও প্রাণবন্ত হয়েওঠে। দিন ব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার মধ্যে আরও ছিল স্মৃতিচারণ, স্পোর্টস, গেমস, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আপ্যায়ন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন বিনোদন মূলক অনুষ্ঠান।

 

মন্তব্য