সারা বাংলা

সকালের সময় 'কোভিড-১৯' আপডেট
# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ 297,083 182,875 3,983
বিশ্ব 23,728,063 16,193,743 814,657

চট্টগ্রামে নগরজুড়ে সিটি নির্বাচনের উত্তাপ: চলছে মনোনয়ন ফরম বিক্রির হিড়িক

আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে নির্বাচনী উত্তাপ। দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে খ্যাত এই নগরীর অলিতে গলিতে এখন নির্বাচনী হাওয়া বইছে।   আগামী ১৬  ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নগরীতে ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী উত্তাপ। মেয়র প্রার্থী নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা।  সেই সাথে নগর জুড়ে বিভিন্ন মনোনয়ন প্রত্যাশীর নামে লাগানো হচ্ছে পোস্টার ও ব্যানার। অনেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও আওয়ামী লীগের পক্ষে নমিনেশন পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ জটিল আকার ধারণ করেছে।  অন্যদিকে বিএনপির পক্ষে প্রার্থী হিসেবে শোনা যাচ্ছে ডা. শাহাদাত হোসেনের নাম।

গত ৩ দিনে  মেয়র পদে যারা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তারা হচ্ছেন- নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, নগর কমিটির সহসভাপতি  খোরশেদ আলম সুজন, সহসভাপতি সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, সহসভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  রেজাউল করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-সিডিএ’র সাবেক চেয়ারম্যান ও নগর কমিটির কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের আহ্বায়ক মো. ইউনুস, সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির  ছেলে মুজিবুর রহমান, সাবেক প্যানেল মেয়র  রেখা আলম, মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম, সাবেক সাংসদ মাইনুদ্দিন খান বাদলের স্ত্রী সেলিনা খান, আওয়ামী লীগ  নেতা হেলাল উদ্দিন ও মো. ইনসান আলী।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর দলের মনোনয়ন  দৌড়ে রয়েছেন। এর বাইরেও ২ দলের বেশ কয়েকজন মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী। এছাড়া জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে নগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক সোলায়মান আলম শেঠ নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মুনীর হোসাইন খান  বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে ভোটকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করে ৭১৯টি কেন্দ্র র্নিধারণ করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে ভোটকেন্দ্র, বুথের সংখ্যা, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার সংখ্যা ও ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। ১ মার্চ প্রকাশ করা হতে পারে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল ১৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩ জন এবং নারী ভোটার ৮ লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৬ জন। এবার প্রায় দেড় লাখ ভোটার বাড়তে পারে।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে জয়ী হন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি শপথ নেন ৬ মে। কিন্তু আইনি বাধ্যবাধকতায় মেয়রের দায়িত্ব নেন ওই বছরের ২৬ জুলাই। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে। আর নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ হতে পারে ৩০ মার্চ।চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, নাগরিক সেবা বলতে যেটা বুঝায়, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আমরা সেটা দিতে পারি। জনগণ আমার বিষয়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট।

মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, রাজনীতিকে জনগণের উন্নয়ন মুখি যেভাবেই করা যায়, সেটা আমি করব। কাজেই আমরা আশাবাদী জনগণ যদি সুযোগ পায় বিএনপির যেকোনো প্রার্থীকেই মনোনীত করবে।

মন্তব্য