সারা বাংলা

জীবানুনাশক স্প্রে হাতে পটিয়ার ইউএনও

করোনা ভাইরাস ঠেকাতে জনসচেতনা সৃষ্টি, জনাসমাগম রোধ এবং প্রবাসীদের কোয়ারান্টাইন নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসন শুরু থেকে তৎপর। তারই ধারাবাহিকতায় এবার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি বেসরকারি স্থাপনায় নিজ হাতে করোনা জীবনুনাশক স্প্রে নিয়ে ছিটিয়েছেন পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানা জাহান উপমা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে যে খান থেকে ফোন দিচ্ছে সেখানে ছুটে যাচ্ছে। দিনরাত ২৪ ঘন্টা পরিশ্রম ও জনকল্যাণমূলক কাজ করায় পুরো পটিয়াবাসীর কাছে প্রসংসা কুড়িয়েছে।

বুধবার দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চট্টগ্রাম রেডক্রিসেন্টের উদ্যোগে সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ ভবন ও যাত্রীবাহি পরিবহনে জীবনুনাশক স্প্রে ছিটানো হয়। রেডক্রিসেন্টের দল থেকে নিজ হাতেই জীবানুনাশক স্প্রে নিয়ে নিজেই স্প্রে ছিটতে দেখা যায় ইউএনওকে।

ইউএনও ফারহানা জাহান উপমা জানান, ‘মূলত রেডক্রিসেন্টের উদ্যোগে জীবানুনাশক স্প্রে ছিটানো হয়েছে। তাদের এ ধরনের উদ্যোগকে আরো গতিশীল ও তৎপরতা বাড়ানোর জন্য আমি তাদেরকে উৎসাহ দিয়েছি। সরকারী প্রশাসনের পাশাপাশি বেসরকারী সেচ্ছাসেবী সংগঠনের আন্তরিকতা বাড়তে থাকলে পুরো পটিয়াকে সচেতনতা ও নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা নজরদারীতে রয়েছে পুরো পটিয়া এলাকা। সচেতনতাই পারবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে। কোন ধরনের জটলা সৃষ্টি না করে যাতে করে জনসমাগম না তার জন্য সকলকে এগিয়ে আসতে। ইউএনও উপমা আরও বলেন, এ ক্রান্তিকাল সময়ে একটি গোষ্টি নানান ধরনের গুজব ও অপপ্রচার ছড়িয়ে সাধারন মানুষকে বিভ্রান্তি করে আসছে। তার জন্য তিনি পটিয়াবাসীকে গুজব ও অপপ্রচারে কর্ণপাত না করার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম রেডক্রিসেন্টের নির্বাহী সদস্য ফখরুল ইসলাম চৌধুরী পরাগের নেতৃত্বে স্প্রে ছিটনোর কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদ, গনমাধ্যমকর্মী আহমদ উল্লাহ, নজরুল ইসলাম, পটিয়া উপজেলা রেডক্রিসেন্ট সমন্বয়ক নয়ন শর্মা, উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট সদস্য আনিসুর রহমান, এনামুল হক মিশকাত, মুহাম্মদ জোবায়ের আহমদ,পটিয়া কলেজ দল নেতা আবুল হাসান, উপদল নেতা মকসুদুর রহমান নোমান, তাসনিয়া আহমেদ মিলি, সাবরিনা আফরোজ, মো. শাহেদ, শুভ চক্রবর্ত্তী।

মন্তব্য