জেলা-উপজেলা

সকালের সময় 'কোভিড-১৯' আপডেট
# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ 60391 12804 811
বিশ্ব 6,714,335 3,261,276 393,408

চুয়াডাঙ্গায় দোকানপাট বন্ধ ঘোষণায় বিপাকে ব্যবসায়ীরা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া স্বাস্থ্য বিষয়ক নির্দেশনা মেনে গত ১০ই মে থেকে সারাদেশে সীমিত পরিসরে (সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটা) দোকানপাট ও শপিং-মল খোলার সীদ্ধান্ত নেই সরকার। পরিপ্রেক্ষিতে  চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন দোকানপাট ও শপিং-মল খুললেও মানা হয় না স্বাস্থ্য বিষয়ক নির্দেশনা। এজন্য গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) থেকে চুয়াডাঙ্গার সকল মার্কেট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন।

এতে বিপাকে পড়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগরের বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা। জীবননগর উপজেলা নির্বাহীর কাছে তারা দাবী জানীয়েছেন, অন্তত ঈদ পর্যন্ত যেন দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু এটা মানতে নারাজ জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম।

তিনি সকালের সময়কে বলেন, জীবননগরের কোন দোকানপাট ও শপিং-মল খুলে দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া স্বাস্থ্য বিষয়ক নির্দেশনা মানার সাপেক্ষে আমরা গত ১০ই এপ্রিল জেলার সকল দোকানপাট ও শপিং-মল খোলার অনুমতি দেওয়া হয়, কিন্তু তারা নির্দেশনা না মেনে অনীহা প্রকাশ করেছে। ফলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেই আশঙ্কা থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। 

এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে সরকার ১০ মে থেকে দোকানপাট খুলে দেওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ধার দেনা করে দোকানে মালামাল এনেছেন। ফের অনির্দিষ্টকালের বন্ধ ঘোষণায় ব্যবসায়ীরা আবারও বিপাকে পড়েছেন বলে জানা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন এ যেন মরার ওপর মরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি'র সভাপতি ইয়াকুব হোসেন  সকালের সময়কে জানান, দোকান বন্ধ ছিল একরকম ছিল। কিন্তু দোকান খুলে দিয়ে হঠাৎ করে আবার বন্ধ করে দেওয়ায় অবস্থা আরো খারাপ হয়েছে। কেননা, দোকান খুলে দেওয়ার ফলে সকল দোকান মালিকরা যখন ধার দেনা করে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছিল ঠিক তখনই সরকার বন্ধ করে দিল। এ বিষয়ে আমি জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলেছি। তিনি ঈদের পরে খুলে দেওয়ার কথা বলেছে। কিন্তু এতে কোন লাভ হবে না।  

জীবননগরের শুভেচ্ছা গার্মেন্টস মালিক মো. সাফায়েত সকালের সময়কে বলেন, গত দেড় মাস দোকান বন্ধ থাকায় তার প্রায় ১০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে দোকানের ভাড়া দেওয়া লাগছে। কর্মচারিদের বেতন দিতে পারছি না।

তিনি আরো বলেন, ১০ লাখ টাকা লোন নিয়ে ঈদের জন্য দোকানে মালামাল এনেছি। ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা এ যেন মরার ওপর মরা। আমরা চাই অন্তত ঈদ পর্যন্ত যেন দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়।

মন্তব্য