আন্তর্জাতিক

সকালের সময় 'কোভিড-১৯' আপডেট
# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ 186894 98317 2391
বিশ্ব 11,763,959 6,758,048 541,228

নির্বাচন পেছানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ‘মেইল-ইন ভোটিং’ ব্যবস্থার ফলে জালিয়াতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য মতে, ট্রাম্প ভোট প্রদানের ‘যথাযথ, সুরক্ষিত ও নিরাপদ’ পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের অভিযোগের পক্ষে সমর্থনযোগ্য প্রমাণ খুবই কম। তিনি অনেকদিন ধরেই মেইল-ইন ভোটিংয়ের বিরোধিতা করে আসছেন।

দীর্ঘদিন ধরেই ট্রাম্প অভিযোগ তুলে আসছেন যে, মেইল-ইন পদ্ধতিতে ভোট হলে তাতে জালিয়াতি হতে পারে। তবে করোনায় শীর্ষ আক্রান্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ অঙ্গরাজ্য সরকার ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণের শঙ্কায় স্বাস্থ্যবিধির কথাগুলো মাথায় রেখে মেইলের মাধ্যমে ভোটের আয়োজন করতে চায়।

ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় বলেছেন, সর্বজনীন মেইল-ইন ভোটিং নভেম্বরের নির্বাচনকে ইতিহাসের সবচেয়ে ভুল ও প্রতারণামূলক নির্বাচণে পরিণত করবে; যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক বিব্রতকর।

এদিকে ট্রাম্পের নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব তার নিজ দলের মধ্যেই প্রত্যাখ্যান হয়েছে। রিপাবলিকান পার্টির প্রথম সারির নেতারাই নির্বাচন স্থগিতের প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছেন।

মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটেন সংখ্যাগরিষ্ঠ অর্থাৎ প্রেসিডেন্টে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানের নেতা মিচ ম্যাককনেল এবং নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের সংখ্যালঘু দল রিপাবলিকানের নেতা কেভিন ম্যাককার্থি উভয়ই ট্রাম্পের এমন ধারণা নাকচ করে দিয়েছেন। প্রতিনিধি পরিষদ এখন বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের দখলে।

সাংবিধানিকভাবেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্বাচন স্থগিত কিংবা পেছানোর কর্তৃত্ব নেই। নির্বাচন পেছাতে হলে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পার্লামেন্টের উভয় কক্ষ থেকে পাস হতে হবে। প্রতিনিধি পরিষদ ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় সেখান থেকে এই প্রস্তাব পাসের কোনও সম্ভাবনা তো ছিলই না, এখন নিজ দলের বিরোধিতার মুখে পড়ায় তা আরও অসম্ভব হয়ে উঠলো।

মন্তব্য