বিশেষ খবর

সকালের সময় 'কোভিড-১৯' আপডেট
# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ 537,465 482,424 8,182
বিশ্ব 105,957,358 2,310,170 77,602,804

গ্রেফতার হতে পারে সাদেক ও মামুনুল

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার নির্দেশ দাতা হিসেবে এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদেক এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। সাদেক এই কাজের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত। এছাড়া হেফাজতে ইসলামের বিভিন্ন কাজে সাদেক অর্থসহায়তা দিয়ে থাকে বলেও অভিযোগ রয়েছে। মামুনুল হকদের মিছিল ও সমাবেশের এই ডোনার এবং উগ্র সাম্প্রদায়িকতা এবং স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি বিএনপি জামাতের অর্থদাতা সাদেককে গ্রেফতারের এখনই উপযুক্ত সময়, এমনটাই মনে করেন সাধারণ মানুষ।  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নিয়ে কোন প্রকার ধৃষ্টতা দেখালে দাঁতভাঙা জবাব দেয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। গত ২৬ নভেম্বর ২০২০ বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এ হুশিয়ারির কথা গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছে। ‘উগ্র সাম্প্রদায়িকতা এবং স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি বিএনপি জামাতের নাশকতা, জ্বালাও পোড়াও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের’ প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছাত্রলীগকে এখনই দ্বায়িত্ব নিতে হবে জঙ্গি দমনে। ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘আমরা যদি মাঠে নামি তাহলে আপনারা কিন্তু পালিয়ে যাওয়ার সুযোগও পাবেন না। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে যদি আবারও ধৃষ্টতা দেখান, তাহলে কিন্তু আমরা দাঁতভাঙা জবাব দেব। সারা দেশ পাঁচ মিনিটে অচল করে দেওয়ার ক্ষমতা ছাত্রলীগের আছে।’ ‘জাতির পিতাকে নিয়ে দেশ বিরোধী কুচক্রী মহল, যারা পাকিস্তানের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে। তারা আবার ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করেন। অবৈধ অর্থের লেনদের ক্ষেত্রে রিজেন্ট হাসপাতাল ও এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও রিজেন্ট হাসপাতাল যেন সনদ বিক্রির দোকান। রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদকে গ্রেফতার করলেও এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক সাদেককে সরকার এখনও গ্রেফতার করেনি। সরকারের কোন পর্যায়ে ঘাপটিমেরে লুকিয়ে থাকা জঙ্গির ছায়াতলে রয়েগেলো এই জঙ্গি নেতা সাদেক! ভুয়া ইমেরিটাস অধ্যাপক। সাহেদ জাল সনদ বিক্রি করার অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তবে একই কায়দায় ২৫ বছর ভুয়া সনদ বিক্রি করে সাদেক গ্রেফতার হয়নি। উপরন্তু সাদেক তার নামের শুরুতে ভুয়া উপাধি লাগিয়েছে ইমেরিটাস অধ্যাপক! বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন রজতজয়ন্তী করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ঠাকুর ঘরে কে, আমি তো কলা খাইনি : "ছাত্রদল ও শিবিরের নিষ্ক্রিয় রাজনীতি আছে ইউনিভার্সিটিতে। যুদ্ধাপরাধীদের অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনে বিদ্যমান বলে অভিযোগ রয়েছে এবং ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ ও উপাচার্যের বৈধতা নেই।" এই কথায় কি মনে হয়? এই কথাই বলা আছে এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েভসাইটে। উইকিপিডিয়া সূত্র হুবহু তুলে ধরছি- এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ, বাংলাদেশের একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৯৯৬ সালের জানুয়ারি ৪ তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯২ সালের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অধীনে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। আশুলিয়া থানার টংগাবাড়ি এলাকায় বঙ্গবন্ধু সড়কে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাস অবস্থিত। এখানে সক্রিয় ছাত্রলীগের কমিটি বিদ্যমান। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সৈয়দ নূরুল হাসনাত শুভ। তাছাড়া "ছাত্রদল ও শিবিরের নিষ্ক্রিয় রাজনীতি আছে ইউনিভার্সিটিতে। যুদ্ধাপরাধীদের অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনে বিদ্যমান বলে অভিযোগ রয়েছে এবং ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ ও উপাচার্যের বৈধতা নেই।" তবে শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে চলেছে। এটি বাংলাদেশের একটি প্রাচীন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৯৬ সালের ৪ জানুয়ারী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালযের জন্য অনুমতির/সনদ প্রাপ্তির আবেদন পত্রে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি প্রকল্পের চেয়ারম্যান হিসেবে আলহাজ্জ মো. আজিজ উল্লাহর নাম উল্লেখ রয়েছে। তবে সাদেক নিজেকে প্রতিষ্ঠিতা পরিচয় দেন। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রায় ১৭,০০০ ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা করে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু জঙ্গি শিক্ষক শিক্ষার্থী : দেশি বিদেশি অনেক জঙ্গি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে এবং পড়ায়। এমন সন্দেহ সকলেরই আছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে হেফাজত নেতা মামুনুল হক "মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ও দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব, জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া, ঢাকার শায়খুল হাদিস (হাদীস বিভাগীয় প্রধান), মাহাদুত তারবিয়্যাতুল ইসলামিয়া ও বাবরি মসজিদ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং মাসিক রহমানী পয়গামের সম্পাদক। তিনি পাঁচ বছর সিরাজগঞ্জ জামিয়া নিজামিয়া বেথুয়া মাদ্রাসা এবং দুই বছর মিরপুর জামিউল উলুমে শিক্ষকতা করেন। তারপর ২০০০ সাল থেকে জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া, ঢাকায় শায়খুল হাদিস (হাদীস বিভাগীয় প্রধান) হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। ২০১৫ সালে তিনি মাহাদুত তারবিয়াতুল ইসলামিয়া নামে একটি উচ্চতর ইসলামি শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের খণ্ডকালীন অধ্যাপক ছিলেন। এছাড়াও তিনি বায়তুল মামুর জামে মসজিদের খতিব। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির দিকে তিনি ঢাকায় বাবরি মসজিদ বাংলাদেশের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে ঢাকার শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত হেফাজত আন্দোলনের নেতৃত্বের জন্য ১২ মে বাংলাদেশ সরকার তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। ২০১৮ সালের বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের দু'দিন আগে তিনি পুনঃরায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন। 
২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে “আপত্তিকর বক্তা” হিসেবে চিহ্নিত করে। শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণের বিরোধিতা করায় তাকে মুুুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কর্তৃক ৭২ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতারের আলটিমেটাম দেওয়া হয়। শেখ মুজিবের ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে এই মামুনুল হক। শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ধোলাইপাড়ে বঙ্গবন্ধুর মূর্তিস্থাপন বঙ্গবন্ধুর আত্মার সঙ্গে গাদ্দারি করার শামিল। যারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন করে তারা বঙ্গবন্ধুর সু-সন্তান হতে পারে না। এর মাধ্যমে মসজিদের শহরকে মূর্তির শহরে পরিণত করার অপচেষ্টা চলছে। এ মূর্তি স্থাপন বন্ধ করুন। যদি আমাদের আবেদন মানা না হয়, আবারও তওহিদী জনতা নিয়ে শাপলা চত্ত্বর কায়েম হবে।’


মামুনুল হকের ভেরিফাইড ফেসবুকের ষ্টাটাস
আমি ডঃ নই, ডক্টরেট করিনি!


সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো কোনে বন্ধু আমাকে ডক্টর অভিধায় অভিহিত করছেন। গত ১০ই ডিসেম্বর'১৭ আমাদের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবর্তনে আমি এমএসএস (অর্থনীতি) অর্থাৎ মাস্টার্সের সনদ লাভ করি। কে বা কারা আমার সমাবর্তনে যোগদানের প্রাতিষ্ঠানিক রীতির আলোকে গাউন পরিহিত ছবি প্রচার করেন। আর অনেকে এই ছবিকে ডক্টরেট খেতাবের প্রমাণ মনে করে আরো একধাপ এগিয়ে গেছেন। এখন তারা আমার নামের শুরুতে ডঃ জুড়ে দিচ্ছেন। এটা নিতান্তই তাদের ভুল ধারণা। কিছু বিশেষ কারণে আমি এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে খণ্ডকালীন শিক্ষকতাও করি। আমি সেখানকার পার্টটাইম লেকচারার বা খণ্ডকালীন প্রভাষক। অনেকে প্রফেসর বা অধ্যাপক হিসাবে আমাকে প্রচার করেন। এটাও মস্তবড় একটা ভুল। আমাদের কওমী শিক্ষাব্যবস্থার ক্বারী সাহেব, হাফেজ সাহেব, মুদাররিস, মুহাদ্দিস, শায়খুল হাদীস পরিভাষাগুলোতে যেমন তফাৎ আছে সাধারণ শিক্ষাব্যাস্থায়ও রয়েছে। বিষয়গুলো তালগোল পাকিয়ে ফেললে অনেক সময় বিব্রতকর পরিবেশ তৈরি হয়। আমরা সাধারণ মানুষের সামনে হাস্যকর বা খেলো হয়ে যাই। সকলের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান রইল। জঙ্গিদের এই অভয়ারণ্য এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সরকার নিরব কেন? সরকারের বিভিন্ন শ্রেনি পেশার লোকদের সাথে আতাত করে সাদেক রয়ে যাচ্ছে ধরা ছোয়ার বাইরে। করোনাকালিন সময়ে দেখা যায় সরকারের আনুকূল্য পাওয়া লোক বা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নামেমাত্র ভিসিদের সাথে ওয়েভিনারে মিলিত হয় এই সাদেক। সরকার ও স্বাধীনতার পক্ষে নিজের অবস্থান জানান দিতে সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং  সাংসদ ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে সেমিনার (ওয়েবিনার) করে সরকারের গুনোগান করে নিজেকে সুরক্ষা করতে মরিয়া । ৭১ এর চিহ্নিত রাজাকার আবুল হাসান মোহাম্মদ সাদেক তার ওয়েবিনারে সরকারের মন্ত্রী এমপিদের যুক্ত করতে সুন্দরী নারীদের একটি টীম ব্যাবহার করেন । 

এ বছরের গোড়ার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে অনুরোধ করছে। ইউজিসি পরিচালক  ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম সাক্ষরিত সেই চিঠির স্বারক নং বিমক/বেঃবিঃ/২৯৮(বিবিধ)/২০১৬/৭৪৩ চিঠিতে বলা হয় এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১২ সাল থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত কোন ভিসি নেই। বিশ্ববিদ্যালয়টির ইতিহাসে কখনই  কোষাধ্যক্ষ ও উপ উপাচার্য নিয়োগ দেয়া হয়নি যা বেসরকারী  বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ এর ধারা ৪৪ এর লংঘন । এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ২৫ বছরেও শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোণীত অডিট ফার্ম দ্বারা অডিট সম্পন্ন হয়নি যা বেসরকারী  বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ এর ধারা ৪৫ এর সুস্পষ্ট লংঘন । এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়টির নামে রয়েছে সীমাহীন আর্থিক দূর্নীতির অভিযোগ। জামাত ও শিবির রাজনীতির  সাথে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা আবুল হাসান মোহাম্মদ সাদেক এর সাথে রয়েছে গভীর  সংশ্লিষ্টতা। বিদেশি জঙ্গী গোষ্ঠীর সাথে এই ভিসির পরোক্ষ কোন সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা জানতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন নতুন করে তদন্ত করবে । বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) অনুমতি ছাড়াই সারা দেশে প্রায় ৫০ টি অবৈধ ক্যাম্পাস ছিলো এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের । ইউজিসি ও শিক্ষামন্ত্রনালয়ের চাপে কয়েক বছর আগে ক্যাম্পাস গুলি বন্ধ করে দেয়া হয় । বিশ্ববিদ্যালয়টির  রাজশাহী ক্যাম্পাস পরিচালনার সময় রাজশাহী বিভাগীয় সাংবাদিক (দৈনিক নয়া দিগন্তের ব্যুরো চীফ ) আনিস সরদারের মধ্যস্থতায় জঙ্গীনেতা বাংলাভাইয়ের সাথে এশিয়ান   বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সাদেক একাধিকবার বৈঠক করেছেন।  সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাইসহ নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামা'আতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) সাথে পরিচয় লগ্ন থেকেই বাংলাভাইয়ের সঙ্গী  সরদার আনিস এর সাথে ভিসি সাদেক এর সখ্যতা গড়ে ওঠে । বছর দুয়েক আগে আনিস সরদারকে ভিসি সাদেক তার বিশেষ সহকারী পদে নিয়োগ দিয়ে কিছুদিন পরেই  বিশ্ববিদ্যালয়টির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব দেয়া হয় । সরদার আনিসের একাডেমিক সনদ অনুযায়ী তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের  শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না । সরদার আনিসকে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার ব্যাপারে ভিসি ইউজিসি নীতি অনুসরন  করেননি । 

 

মন্তব্য