ঢাকা শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

ভূমি সেবায় কারসাজির বিস্তর অভিযোগ


জাহিদুল ইসলাম শিশির photo জাহিদুল ইসলাম শিশির
প্রকাশিত: ৭-১২-২০২২ বিকাল ৭:৩৮

* রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার
* বঞ্চনার হাজারো অভিযোগ  
* মানা হচ্ছেনা ইউপি চেয়ারম্যানের সনদপত্র 
 


ই-নামজারি বা ভূমি সেবাকে সহজ করতে  সরকারের বহুমাত্রিক উদ্যোগ  মাঠ পর্যায়ে মার খাচ্ছে কিছু কর্মকর্তাদের অদক্ষতা ও অসাধুতার কারণে। কোন কোন উপজেলা এ বিষয়ে মডেল হয়ে উঠেছে। তেমনি একটি উপজেলা হচ্ছে মুন্সিগঞ্জের শ্রী নগর। সরেজমিন  তথ্য বিশ্লেষণ ও ভূক্তভোগীদের সাথে কথা বলে  সেবা বঞ্চনার এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

অভিযোগ উঠেছে, মুন্সিগঞ্জের শ্রী নগরে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি এর কারসাজিতে  প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। সেই সাথে ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা মানুষের বঞ্চনার যেন শেষ নেই। বর্তমান সহকারি কমিশনার যোগদানের পর থেকেই অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে ভূমি সেবা কার্যক্রম। যা নিয়ে এক ধরণের অসন্তোষ  বিরাজ করছে সংশ্লিষ্টদের মাঝে।

জানা যায়, নতুন সহকারি কমিশনার যোগদানের পর পরই নিজস্ব একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন তিনি। এ সিন্ডিকেটের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নাজির কাম ক্যাশিয়ার হাবিবুর রহমান। যোগদানের পর অফিসিয়াল অধিকাংশ কাজ থেকে বিরত থাকেন সহকারি কমিশনার আবু বকর সিদ্দিকী। সে সুবাদে কাজের পাহাড় জমে ওঠে তার টেবিলে। এই ফাইল জমিয়ে নানা ভাবে বঞ্চনার সুষ্টি করে অনৈতিক সুবিধা নেয়ার পথ পরিষ্কার করেন ভূমি কমিশনার। এর পর  কাজ শুরু করে হাবিবের অনুগত হিসেবে পরিচিত  পঞ্চম শ্রেনী পাশ চেইন ম্যান বিপ্লব, ড্রাইভার মনির এবং পিওন লাবুকে নামজারী পর্চায় খতিয়ান বসানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে কাজ  শুরু হওয়ার পর থেকে সকল কাজে ব্যাপক বাধা  সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সেবা গ্রহীতাকে দ্বিতীয় দফায় হয়রানীর পথ করে দেয়া হচ্ছে। এতে ভূমি কমিশনারের সিন্ডিকেটের অদৃশ্য আয় বেড়ে গেলেও সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। আর প্রতিনিয়ই বাড়ছে সেবা গ্রহীতাদের হয়রানী।

এ বিষয়ে  শ্রীনগর সদর ইউনিয়নের আমিনুল ইসলাম দৈনিক সকালের সময়কে জানান, নামজারী হবার পরে স্থানীয় ভূমি অফিসে খাজনা দিতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন যে, তার জমির খতিয়ানটি ভুল তোলা হয়েছে।  ফলে তাকে  ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন দিতে হয়েছে। কিন্তু ভুল সংশোধনেও তাকে পোহাতে হচ্ছে বহুমাত্রিক জটিলতা। বাড়তে খরচ করতে হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা কত সময়ে হবে বা কতদিনে হবে তার কোন নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে না।

একাধিক ভূক্তভোগী দৈনিক সকালের সময়ে অভিযোগ করেন যে, পঞ্চম শ্রেনী পাশ চেইন ম্যান বিপ্লব, ড্রাইভার মনির এবং পিওন লাবুকে নামজারী পর্চায় খতিয়ান বসানোর দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে ভুলের অধিক অভিযোগ আসছে। এ নিয়ে অনেকেই আবেদন দিলেও সে সব আবেদনে কোন পাত্তা দিচ্ছে না সহকারি কমিশনারের কার্যালয়। একজন ভুক্তভোগী বলেন, ভুল করছে সরকারি দপ্তরের লোকজন। কিন্তু তার দায় ভার আমাদের কেন নিতে হচ্ছে তা আমাদের মাথায় আসছে না। জানা গেছে, বর্তমান সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক চার মাস হলো শ্রীনগরে যোগদান করার পর  এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত  প্রায় পাঁচ হাজার নামজারী কেস জমা পড়ে আছে। এর মধ্যে সমাধানের পরিমাণ খুবই হাতে গোনা। যারা অনেক বেশী টাকা খরচ করাসহ রাজনৈতিক প্রভাব খাটাতে পারছে তাদের কাজই শুধু হচ্ছে।

এ রিপোর্ট লেখার আগ পর্যন্ত গণমাধ্যম কর্মীদের  অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে সহকারী কমিশনার ভূমি  কর্মকর্তা মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক ও তার সহকারী  নাজির কাম ক্যাশিয়ার হাবিবের কৃতকর্মের  থলের বিড়াল। যাহা রীতিমতো ভ্রু-কুচকে যাওয়ার মতো বিষয়। সেবা নিতে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন আমরা উপজেলা বাসী বিগত চার মাস যাবৎ ভূমি সেবা হতে বঞ্চিত। মোট কথা এই অফিসার আসার পর হতেই ভূমি সেবার এই করুন অবস্থা। কারন হিসেবে জানতে চাইলে তাহারা প্রতিবেদককে জানান আমরা জমিনের নাম খারিজের জন্য দুই মাস আগে জমা দেই কিন্তু  জমির কাগজপত্র সঠিক থাকার পরেও আমাদেরকে কোন রকম নোটিশ প্রদান ছাড়াই খেয়াল খুশি মতো নামজারী না মুঞ্জর করেছেন। কি কারনে নামজারী জমাভাগ কেসটি বাতিল করেছেন তার সঠিক কারনও জানাচ্ছে না ভূমি অফিস। কেই জানাচ্ছে না ভূমি কর্মকর্তা।

কুকুটিয়া ইউনিয়নের ভুক্তভোগী হাবিব বলেন আমার নামজারী না মুঞ্জুর হলে আমি এসিল্যান্ড স্যারের নিকট গিয়ে জানতে পারি আমার এস এ পর্চা সহি মহূরী নাই অথচ আমার আগের নামজারী আছে। একই ইউনিয়নের ফালু শেখ বলেন আমার দলিলে নাম ফালু শেখ ভোটার আইডি কার্ডে শেখ ফালু, শেখ আগে পরে তাই আমার নামজারীটি না মুঞ্জুর করেছন যাহা খুবই দুঃখজনক ।  নামের একটু অমিল থাকলে জানামতে ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যয়ন পত্র দিয়ে যুগযুগ ধরে সমাধান হয়ে আসছে বিষয়টি, কিন্তু বর্তমান সহকারী কমিশনার ভূমি মানছেন কোন চেয়ারম্যান এর পত্যয়ন পত্র যা রীতিমতো ভাবিয়ে তুলছে উপজেলা বাসীদের পটাভোগ ইউনিয়নের আবু কালামসহ আরো আট দশ জন ভুক্তভোগী বলেন আমরা বাড়ির লিজ নবায়নের জন্য এক বছর আগে হাবিব সাহেবের নিকট জমা দিয়েছি সাথে দুই হাজার কেউ কেউ তিন হাজার করে টাকা দিলেও আজ পর্যন্ত ফাইল কি অবস্থায় আছে তাও আমরা  জানিনা। এই বিষয়ে এসিল্যান্ডের নিকট গিয়েছিলেন কিনা জানতে চাইলে ভুক্তভোগীরা প্রতিবেদককে বলেন স্যারের নিকটে যাইনি তবে হাবিব সাহেবের নিকট গেলে তিনি বলেন ফাইল খুঁজে পাই না আপনারা পূনরায় আবেদন করেন।

এ সকল  বিষয়ে বক্তব্য জানকে ভূমি সহকানি কর্মকর্তা আবুবকর সিদিইকর মোবাইল নম্বরে যোযোগ করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

সুজন / সুজন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন ডাবলু সরকার

কলমাকান্দায় অটোরিকশার ধাক্কায় শিশু নিহত

শরণখোলায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের শিকার

পীরগঞ্জে বহিরাগত ২ মহিলা গ্রেফতার

পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান রূপপুরে

বিজয়নগরে মাটির ঘর ধসে ভাই-বোনের মৃত্যু, আহত ৩

সলঙ্গায় হেরোইনসহ মাদক কারবারি আটক

চট্টগ্রামে মিলেছে ১২২৩ বছর আগে বিলুপ্ত পণ্ডিত বিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্তিত্ব

দুই মণ ধান বিক্রি করে এক কেজি ইলিশ মাছ পায় না:শাহ আব্দুল্লাহ আল বাকী

মনোহরগঞ্জে প্রবাসীর দোকান ঘর ভাংচুর জায়গা দখল

গোপালপুরে অটোরিকশা কেড়ে নিল হেয়ার গাঁথুনী শিল্প উদ্যােক্তা বরকতের প্রাণ

নাঙ্গলকোটে কৃতি শিক্ষার্থী সংবধর্না ২০২৩ অনুষ্ঠিত

ইবিথানায় জাঁকজমকপূর্ণ ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত