ঢাকা রবিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২২

সু চির বিরুদ্ধে প্রথম কোনো মামলার রায় আজ


সকালের সময় ডেস্ক photo সকালের সময় ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০-১১-২০২১ দুপুর ১১:৫৬

সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও গৃহবন্দি মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে প্রথম কোনো মামলার রায় ঘোষণা হতে চলেছে। মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) জান্তাশাসিত দেশটির একটি আদালত এই রায় ঘোষণা করবে। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে জাতীয় ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। বন্দি করা হয় গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সুচি ও তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে।

অভ্যুত্থানের পর ৭৬ বছর বয়সী গৃহবন্দি সু চির বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা করে ক্ষমতাসীন সামরিক সরকার। মামলাগুলো যেসব অভিযোগে করা হয়েছে, সেসব হলো- রাষ্ট্রের গোপন তথ্য পাচার, নিয়মবহির্ভূতভাবে ওয়াকি টকি রাখা ও ব্যবহার, ক্ষমতায় থাকাকালে ঘুষ গ্রহণ, নিজের দাতব্যসংস্থার নামে অবৈধভাবে ভূমি অধিগ্রহণ ও করোনা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় গাফিলতি। গত জুন থেকে রাজধানী নেইপিদোর বিশেষ সামরিক আদালতে এসব মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, উত্তেজনা সৃষ্টি এবং কোভিড-১৯ প্রোটোকল লঙ্ঘনের মাধ্যমে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ভাঙার দায়ে মঙ্গলবার অং সান সু চির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করবেন মিয়ামারের একজন বিচারক। মিয়ানমারের আইন অনুযায়ী এই অভিযোগে অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তিকে যথাক্রমে সর্বোচ্চ দুই ও তিন বছরের কারাদাণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে।

একইভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সু চির সঙ্গে সঙ্গে মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং সহ-আসামী উইন মিন্টেরও একই কারাদণ্ড হতে পারে।

রয়টার্স বলছে, রায়ের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মিয়ানমারের জান্তা সরকার অথবা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও কোনো তথ্য সামনে আনেনি। একইসঙ্গে এ বিষয়ে মুখ না খুলতে আসামীপক্ষের আইনজীবীদের ওপরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে এই ঘটনার নিন্দা ও বন্দিদের মুক্তি দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘ। সোমবার রয়টার্সের পক্ষ থেকে সামরিক জান্তার মুখপাতের সঙ্গে যোগাযোতের চেষ্টা করা হলেও সফল হওয়া যায়নি।

জামান / জামান