কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ বছর পূর্তি

news paper

কুবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৮-৫-২০২৩ দুপুর ১২:২১

18Views

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ২০০৬ সালের ২৮ মে বাংলাদেশের ২৬ তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সময় এগিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ও তার আপন গতিতে এগিয়েছে। দেখতে দেখতে বিশ্ববিদ্যালয়টি দাঁড়িয়ে আছে ১৭ বছর পূর্তি ও ১৮ বছরে পদার্পন উপলক্ষে আয়োজিত উৎসবের সামনে। র‍্যালি, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, বৃত্তের আলপনা সব মিলিয়ে নতুন আরেকটি যাত্রা। এই ১৭ বছরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে টুকিটাকি  তথ্য জানাচ্ছেন ইকবাল হাসান


প্রতিষ্ঠার ইতিহাস:

কুমিল্লা অঞ্চল অনেক আগে থেকেই শিক্ষা-সংস্কৃতিতে বর্তমান বাংলাদেশের যে কোন অঞ্চল থেকে এগিয়ে ছিল। ষাটের দশকে কুমিল্লা অঞ্চলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলন জোরদার হয়। সেই আন্দোলনের ফলে ২০০৪ সালের ১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রকল্প নেওয়া হয়। ২০০৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। একই বছরের ৮ মে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়। পরবর্তীতে ২০০৭ সালের ২৮ মে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। 


আয়তন ও অবকাঠামো:

২০০৭ সালের ২৮ মে কুমিল্লা শহর থেকে ১১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে কোটবাড়ী শালবন বিহার এবং ময়নামতি জাদুঘর সংলগ্ন পাহাড়ি ও সমতলভূমির উপর ৫০ একর জায়গা নিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। সময়ের সাথে সাথে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন ও অবকাঠামো দুটোরই উন্নতি হয়েছে। ধুলো উড়া রাস্তা থেকে পাকা রাস্তা যেমন হয়েছে তেমনি ৫০ একর আয়তন থেকে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন ২৪৪.১৯ একর। তবে ১৯৪.১৯ একরে ১ হাজার ৬৫৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায়  চলছে উন্নয়ন কাজ। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন খুব শীঘ্রই এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। বর্তমান ৫০ একরে চারটি একাডেমিক ভবন, একটি প্রশাসনিক ভবন, ছেলের জন্য তিনটি হল (শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল) এবং মেয়েদের জন্য দুটি ( নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হল, শেখ হাসিনা হল) হল রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে শেখ হাসিনা হল উদ্বোধনের কারনে আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট। 

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে একটি মুক্তমঞ্চ, একটি নান্দনিক শহীদ মিনার, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ও একটি চিঠি চত্বর। তবে উৎ কিছুর মাঝে বাবুই চত্বর ও সানসেট ভ‍্যালি নামক দুটো চত্বর হারিয়ে গিয়েছে সময়ের স্রোতে। 


শিক্ষক-শিক্ষার্থী:

২০০৭ সালের ২৮ মে প্রথম ব্যাচে ৭টি বিভাগে ৩০০ শিক্ষার্থী ও ১৫ জন শিক্ষক দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। এখন সংখ্যা বেড়েছে আরো। এখন  ৬ টি অনুষদের অধীনে ১৯ টি বিভাগে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ৭,১৪১ জন এবং শিক্ষক রয়েছে ২৬৫ জন। তবে বেশ কয়েক বছর ধরে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার  অভাবে বিদেশি শিক্ষার্থী আসছে না বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রয়েছে  ১০৬ জন কর্মকর্তা ও ২০২ জন কর্মচারী।


শিক্ষা কার্যক্রম:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ টি অনুষদের অধীনে ১৯ টি বিভাগে ব্যাচেলর অফ অনার্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, মাস্টার্স ডিগ্রি চালু রয়েছে। এছাড়া এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর কার্যক্রম চলছে। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ইভনিং প্রোগ্রামও চালু রয়েছে বেশ কয়েকটি বিভাগে। ইংরেজি বিভাগ, ব্যবসা শিক্ষা অনুষদ ও ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদে ইভেনিং প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। তবে এই প্রোগ্রামের নাম বর্তমানে উইকেন্ড প্রোগ্রাম।


স্বেচ্ছাসেবী  সংগঠন:

পড়ালেখার পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সংগঠনের সাথে জড়িত। এসব সংগঠনের মাধ্যমে তারা তাদের সাংগঠনিক দক্ষতা বাড়িয়ে নিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এখানে আছে  নাট্য সংগঠন থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিবর্তন, গ্রাফিতি ভিত্তিক সংগঠন বৃত্ত, আবৃত্তি সংগঠন অনুপ্রাস কণ্ঠচর্চা কেন্দ্র, ব্যান্ড প্ল্যাটফর্ম, কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি, সায়েন্স ক্লাব, প্রকৃতিবিষয়ক সংগঠন অভয়ারণ্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি সোসাইটি, স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতা সংগঠন বন্ধু, উদীচী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছায়া জাতি সংস্থা, বিনসিসি, রোভার স্কাউট, ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের সংগঠন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাব। এছাড়া  রোবট তৈরিতেও এখানকার শিক্ষার্থীদের সুনাম আছে।


ক্যাম্পাসের উৎসব:

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বন বলে একটি কথা প্রচলিত আছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ও এর ব্যতিক্রম নয়। পুরো মাস জুড়েই কোন না কোন প্রোগ্রামে ব্যস্ত থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চটি। পহেলা বৈশাখ, পিঠা উৎসব, বসন্ত বরণ উৎসব, হেমন্ত উৎসব পড়াশোনার বাইরে জীবনের আরেকটি স্বাদ দেয় শিক্ষার্থীদের। এছাড়া ব্যাচ ডে, র‍্যাগ ডে সহ নানা উৎসব লেগেই থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে।

শিক্ষকদের ভাবনা:

বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এন এম রবিউল আউয়াল চৌধুরী বলেন, একটা শিশু যখন বেড়ে ওঠে তখন শুরুটা হয় হামাগুড়ি দিয়ে, এরপর হাটি হাটি পা পা করে ধীরে ধীরে বড় হয়। প্রত্যেকটি জিনিসের গ্রোথ শুরু হয় এইভাবেই। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় মূলত এখন সেই গ্রোথ স্টেজেই রয়েছে। ১৭ বছরে যেমন প্রত্যাশা ছিল একদম যে কিছুই হয়নি তা না, আবার যে খুব বেশি কিছু করে ফেলেছি তাও না। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই ধরনের ডেভেলপমেন্ট হতে পারে। একটা হচ্ছে ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল ডেভেলপমেন্ট। যেটা ইতোমধ্যেই হচ্ছে এবং আমরা জানি যে বড় একটা প্রজেক্টের কাজ চলছে যা ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। কিন্তু আমার কাছে তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে নলেজ শেয়ারিং এবং নলেজ প্রডিউসিং। এতদিন বিশ্ববিদ্যালয় অন্যের জ্ঞান বিতরণ কেন্দ্রিক থাকলেও বর্তমানে জ্ঞান উৎপাদনের বিষয়েও মনোযোগী হচ্ছে। ইতোমধ্যেই আমাদের উপাচার্য মহোদয়ের সহযোগিতায় শিক্ষকদের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। যেটা ইতিবাচক বলে আমি মনে করি। একটা বিষয় আমাকে শঙ্কিত করে সেটা হচ্ছে, কিছু পক্ষের বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ন্ত্রণ করার প্রবনতা দেখা দিচ্ছে যা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের যাত্রাকে বাধাগ্রস্থ করতে পারে।

তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক বিশ্বে যেসব ডিসিপ্লিন এবং সাবজেক্টের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যে ধরনের জ্ঞানচর্চা করা হচ্ছে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সে ধরনের বিষয়গুলো আনা যেতে পারে। এছাড়াও জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বিত্তকেন্দ্রিক না হয়ে বস্তুকেন্দ্রিক হওয়া জরুরী। পাশাপাশি চিত্তবিনোদনের দিকেও নজর দিতে হবে। 
সর্বোপরি আমার মনে হয়, আমরা সবাই যদি একমত হয়ে কাজ করতাম তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় আরো সুন্দর হতে পারতো যেটা শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে হয়তো সম্ভব হয়ে উঠছে না। কিছু ব্যক্তিগত এবং দলীয় স্বার্থ আমাদের একমত হওয়ার ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে হলেও আমরা এই ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থগুলো পরিহার করবো। যাতে করে পৃথিবী কিংবা এর বাইরে যেখানেই থাকি যেন শুনতে পাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আরো উন্নত হয়েছে এবং এগিয়ে গিয়েছে। এই আমার প্রত্যাশা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সবকারী অধ্যাপক কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, নবীন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমরা যে পরিপূর্ণ তা বলতে পারি না। তবে আমাদের যতটুকু রিসোর্স আছে আমরা সেগুলোর সঠিক ব্যবহার করার চেষ্টা করছি এবং বর্তমান উপাচার্য স্যার গবেষণার দিকে বেশি নজর দিচ্ছেন। তাছাড়া আমাদের যে নতুন ক্যাম্পাসের প্রজেক্ট চলমান আছে, সে কাজ সম্পন্ন হলে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ একটা বিশ্ববিদ্যালয় পাবো বলে আশা করছি।
আর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আমাদের সাবেক শিক্ষার্থী যারা আছে তাদেরকেও আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছি। বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী এবং স্টেকহোল্ডার যারা আছেন তারা সবাই মিলে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস সুন্দরভাবে উদযাপন করবো। 


শিক্ষার্থীদের ভাবনা:

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সায়েমা হক বলেন, 
'বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর এই প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দেখছি। পুরো বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে যেন এক উৎসবের আমেজ লেগে আছে। বৃত্ত কুবির রঙিন আল্পনায় যখন সেজে উঠছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনা, মন ভরে উঠছিল। এই অল্পদিনেই এক অসীম মায়ায় জড়িয়ে গেছি, এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।'

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী আরাফাত রাফি বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম যেদিন এসেছিলাম তখনকার অভিজ্ঞতা আর এখন শেষ সময়ের অভিজ্ঞতা এক না। আকাশ-পাতাল পার্থক্য। এই দীর্ঘ সময়ে সময়, একাডেমিক জীবন আমাদের অনেক নতুন ও সুন্দর অভিজ্ঞতা দিয়েছে। সামনের দিনের পথ এই অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে এগিয়ে যাব। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স এক বছর করে বাড়ে আর একটি করে ব্যাচ এই বৃত্ত থেকে ছিটকে চলে যায়। আসা-যাওয়া চলতে থাকবে। প্রার্থনা থাকবে প্রিয় প্রাঙ্গণ সব সময় ভালো থাকবে, ভালো রাখবে।'

উপাচার্যের কথা:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন। তার বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়। তিনি বরিশালে বেড়ে ওঠেন। তিনি ২৩ বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। ২০০৮ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেশন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেশন ইউনিভার্সিটিতে ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড ফর লার্নিং অ্যান্ড টিচিংয়ের জন্য মনোনীত হন তিনি। দেশ–বিদেশে প্রকাশিত জার্নালে তাঁর লেখা ৩৭টি নিবন্ধ রয়েছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ বছর পূর্তি ও ১৮ তম বছরে পদার্পন বিষয়ে তিনি বলেন, আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বাড়ানোর বিষয়ে নজর দিয়েছি। এর জন্য চারটি কাজ করেছি। প্রথমত শিক্ষকদের গবেষণার প্রতি জোর দিয়েছি। এর মাধ্যমে আমরা আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে এগিয়ে যাবে। দ্বিতীয়ত, শিক্ষার্থীদের পাঠে মনোনিবেশ করানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ফান্ড থেকে মেধাবৃত্তি দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ যেন শান্ত থাকে সে বিষয়ে কাজ করেছি। সর্বশেষ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে এসে যেন পড়ালেখার প্রতি আকর্ষিত হয় এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করেছি, বিভিন্ন গাছ লাগিয়েছে। আশা করি এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের কাঙ্খিত লক্ষে পৌঁছাতে পারবে। যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়সের সংখ্যার সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুনগত মানও বৃদ্ধি পাবে। 


আরও পড়ুন