আল ইসলামের ৪ সদস্য গ্রেফতারের ঘটনায় ঠাকুরগাঁওয়ে মামলা

news paper

কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও

প্রকাশিত: ১৯-৯-২০২৩ দুপুর ৪:১৭

36Views

সদর উপজেলার মোহাম্মদপুরে র‌্যাবের অভিযানে আনসার আল ইসলাম নামে জঙ্গী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য মো: ইয়াশীন আলী (১৭) কে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১৩ এর একটি টিম। শনিবার সিপিসি-২ নীলফামারী, রংপুর র‌্যাব-১৩ এর ডিএডি মো: হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে মো: ইয়াশীন আলীসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ৮/৯ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে সদর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, র‌্যাব-১৩ এর ডিএডি মো: হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম ঠাকুরগাঁওয়ে অবস্থান করছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টিমটি জানতে পারে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের পূর্বপাড়ার মো: মহসীন আলীর ছেলে মো: ইয়াশীন আলী (১৭) এর বাড়িতে জঙ্গিরা নাশকতার পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করছেন। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে র‌্যাব-১৩ এর টিমটি ঘটনাস্থলে পৌছালে বৈঠকের মানুষজন পালিয়ে যায়। এ সময় ইয়াশীন আলীকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে জঙ্গী সংগঠন আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করে। এছাড়াও সে স্বীকার করে যে, সে স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে টেলিগ্রাম এ্যাপস ব্যবহার করে “আনসার ঘাজোয়াতুল হিন্দ, আনসার আল ইসলাম টিম বাংলা দ্যা ইসলাম বেঙ্গলী রেজিমেন্ট” সংগঠনের উগ্র ও জঙ্গীবাদী তথ্যাবলীসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার প্রচারনা করে থাকে। এ সময় বেশ কয়েকটি জঙ্গী সংশ্লিষ্ট বই উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১৩ টিমের সদস্যরা গ্রেফতারকৃত ইয়াশীন আলীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্য মতে এবং টেলিগ্রাম এ্যাপস যাচাই করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পলাতক আসামীদের মধ্যে দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার কোতয়ালী থানার উপশহর গ্রামের মো: কেরামত আলীর ছেলে মো: মুনতাসির বিল্লাহ (৩৬) কে গ্রেফতার করা হয়। পরে রাতে এ ঘটনায় জড়িত মো: আব্দুল মালেক (৩৩) ও সাব্বির হোসেন (২০) কেও গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ৪ জন ছাড়াও এ মামলায় অন্যান্য আসামীরা হলেন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মঞ্জুর আলম (২৪), একই গ্রামের মো: ফারুকের ছেলে মারুফ ইসলাম (২১), আনিছুর রহমানের ছেলে সাজিদ ইসলাম (১৮), পাশ্ববর্তী মাতৃগাঁও গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আমীর হামজা (১৯) সহ অজ্ঞাতনামা ৮/৯ জন। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে-পরপর যোগসাজসে সংঘবদ্ধভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্বক কর্মকান্ডের ষড়যন্ত্রের অপরাধ, সংঘটনের চেষ্টা ও উগ্রবাদী কর্মপরিকল্পনা করত: সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও বিশৃংখলা সৃষ্টির অপরাধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে মামলায়।

আরও পড়ুন